Main Menu

কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলে তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ দেশের শীতলতম অঞ্চল হিসেবে পরিচিত চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে শীত জেঁকে বসেছে। শীতের তীব্রতার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটিই আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

এদিকে গত ৩ দিন ধরেই কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে শীত বেড়ে চলেছে। ঠান্ডা বাতাস আর শীতের তীব্রতার কারণে নিন্ম আয়ের মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। বুধবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে ৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিন মঙ্গলবার ছিল ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোঃ আনিছুর রহমান বলেন, সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মোঃ আফতাব উদ্দিন বলেন, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলের আকাশে সুর্য্য দেখা গেলেও মৃদু বাতাস প্রবাহমান থাকার কারণে অতিরিক্ত শীত অনুভুত হচ্ছে। রাতের বেলা সুর্য্য অস্ত যাওয়ার পর চারদিক ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেলে তীব্র শীত নামে। শীতের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। রিকশাচালক থেকে শুরু করে দিনমজুর, এমনকি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও বিপাকে পড়েছেন। স্কুল-কলেজেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে। এছাড়া শীত বেড়ে যাওয়ায় পাহাড় ও টিলায় বসবাস করা চা শ্রমিকরাও দুর্ভোগে দিন কাটাতে হচ্ছে।

শ্রীমঙ্গলের ৯২টি চা বাগানে প্রায় ৪ লাখ চা শ্রমিকের বসবাস। এদের অধিকাংশ মাটির ঘরে বসবাস করেন। পাহাড় ও টিলায় বসবাস থাকায় তাদের চরম দুর্ভোগে দিন কাটাতে হচ্ছে।

অপরদিকে হাকালুকি হাওর, কাওয়াদিঘিসহ অন্যান্য হাওরবেষ্টিত এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষও চরমদুর্ভোগে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

Share





Related News

Comments are Closed