Main Menu
শিরোনাম
বড়লেখায় ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল         বিশ্বনাথে ইউপি নির্বাচনে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল         ওসমানীর ল্যাবে ১৬ জনের করোনা শনাক্ত         শাবির ল্যাবে আরো ১৩ জনের করোনা শনাক্ত         সিলেটে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ১২,৪২৩, মৃত্যু ২১২         ঘূর্ণিঝড়ে জকিগঞ্জের ৬ গ্রামের ২৫টি ঘর বিধ্বস্ত         মাধবপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু         জগন্নাথপুর পৌরসভার উপনির্বাচন ১০ অক্টোবর         কমলগঞ্জে ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা         জগন্নাথপুরে স্বামীর দায়ের কোপে স্ত্রীর মৃত্যু         ছাতকে নৌযানে চাঁদাবাজ মুক্ত রাখতে মাইকিং         সিলেট বিভাগে আরো ৪৮ জনের করোনা শনাক্ত        

এক বছরে দুর্ঘটনায় নিহত ৮ হাজার ৫৪৩ যাত্রী

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালে সারাদেশে সড়ক, নৌ ও রেলপথের দুর্ঘটনায় মোট ৮ হাজার ৫৪৩ জন যাত্রী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ১৪ হাজার ৩১৮ জন যাত্রী।

শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সড়ক দুর্ঘটনা পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালে শুধু সড়কেই প্রাণ ঝরেছে ৭ হাজার ৮৫৫ জনের। আহত হয়েছে হয়েছে ১৩ হাজার ৩৩০ জন। রেলপথে নিহত হয়েছে ৪৬৯ জন, আহত হয়েছে ৭০৬ জন। একই সাথে নদীপথে দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ২১৯ জন, আহত হয়েছে ২৮২ জন এবং নদীতে নিখোঁজ হয়েছে ৩৭৫ জন।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি তাদের পর্যবেক্ষণে বলেছে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯৮৯ জনই ছিলেন চালক। এছাড়া ৮৪৪ জন পরিবহণ শ্রমিক, ৮০৭ জন শিক্ষার্থী, ১১৫ জন শিক্ষক, ২১৬ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ৮৯৪ জন নারী, ৫৪৩ জন শিশু, ৩৬ জন সাংবাদিক, ২৬ জন চিকিৎসক, ১৬ জন আইনজীবী এবং ১৫৩ জন অন্যান্য পেশার লোকজন ছিলেন।

সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, দুর্ঘটনার মূল কারণ বেপরোয়া গাড়ি চালানো। এছাড়াও অন্যান্য কারণের মধ্যে রয়েছে বিপদজনক ওভারটেকিং, রাস্তা ও গাড়ির ক্রুটি, অসতর্কতা, চালকের অদক্ষতা, চলন্ত অবস্থায় মোবাইল ফোনের ব্যবহার, রেলক্রসিং বা সংযোগ রাস্তায় অসতর্কতা, ট্রাফিক আইনের দুর্বলতা এবং ছোট যানবাহন বৃদ্ধি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সমিতির মহাসচিব বলেন, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সড়কে প্রতিনিয়ত যেসব দুর্ঘটনা ঘটছে সেগুলো ৮০ ভাগেরই কোনো মামলা হয় না। আবার যে ২০ শতাংশ ঘটনার মামলা হয় সেগুলোর মধ্যেও শতকরা ৯৯ ভাগ মামলার আসামির জামিন হয়ে যায়। বাকি এক শতাংশের মামলার আসামির কোনো সাজাই হয় না।

সংবাদ সম্মেলনে সড়ক দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও তার প্রেক্ষিতে বেশ কিছু সুপারিশও তুলে ধরা হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবু সাঈদ খান, এফবিসিসিআই’র পরিচালক আব্দুল হক প্রমুখ।

0Shares





Related News

Comments are Closed