Main Menu

রোহিঙ্গাদের আর খাওয়াতে পারবো না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন রোহিঙ্গারা ফিরে না যাওয়ার জন্য মায়ানমারকে দায়ি করে বলেছেন,‘মায়ানমার রোহিঙ্গাদের আস্থা তৈরি করতে পারেনি। যে কারণে রোহিঙ্গারা ফিরতে রাজি হচ্ছে না। তবে মায়ানমারের উপর চাপ সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। রোহিঙ্গাদেরকে ফিরিয়ে নিতেই হবে। রোহিঙ্গাদেরকে আমরা বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতেও পারবো না। তাদেরকে ফিরে যেতে হবে।’

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেছেন মন্ত্রী। ঢাকা থেকে বিমানযোগে সন্ধ্যে ৬টার দিকে সিলেটে আসেন মন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যেসব দাবি জানাচ্ছে সেটা মানতে আমরা বাধ্য নই। এটা তারা তাদের দেশে গিয়ে অর্জন করতে হবে। মায়ানমারের উপর আন্তর্জাতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব হওয়ায় তারা রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে রাজি হয়েছে। আগে যেসব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রোহিঙ্গাদের পক্ষে কথা বলেছিল এখন তারাও প্রত্যাবর্তনের পক্ষে কথা বলছেন। প্রয়োজনে আরও চাপ সৃষ্টি করা হবে।’

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন কাজ শুরু না হওয়া প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন আরও বলেন, ‘মায়ানমারের সাথে আমাদের আরও আলোচনার সুযোগ আছে। আমরা তাদেরকে আগেই প্রস্তাব দিয়েছিলাম রোহিঙ্গাদের ১০০ জন নেতাকে সেখানে নিয়ে যেতে। তাদের প্রত্যাবর্তনের জন্য সেখানে কি কি করা হয়েছে সেগুলো দেখে এসে তারা অন্যদের বোঝাবে। রোহিঙ্গাদের জন্য সেদেশে চায়না এক হাজার ও ভারত আড়াই শত বাড়ি বানিয়ে দিয়েছে। সেগুলো দেখে এসে তারা যখন অন্য রোহিঙ্গাদের বলতো তখন তারা আশ্বস্ত হতো। প্রত্যাবর্তনে রাজি হতো। কিন্তু মায়ানমার সেটা করেনি। তাই প্রত্যাবর্তনের ব্যর্থতার দায় তাদেরই।’

মায়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার অঙ্গিকার করেছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যাবর্তনের জন্য যা যা করা দরকার সরকার সব করবে।’

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিতে কূটনৈতিকভাবে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বিএনপির এমন অভিযোগের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তাদেরকে ফেরাতে পারিনি এটা সত্য। তবে তাদেরকে যেতে হবে। কবে যাবে সেটা হয়তো এখন বলা যাচ্ছে না। বিএনপির কাছে অন্য কোন ভালো আইডিয়া থাকলে আমরা তাদেরকে ওয়েলকাম জানাবো।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

Share





Related News

Comments are Closed