Main Menu

চাঁদপুর ও বরিশালের ৮০ গ্রামে ঈদ উদযাপন

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ রোববার চাঁদপুরের ৪০ গ্রামে ঈদুল আজহা পালিত হয়েছে। ওইসব গ্রামগুলোর প্রায় লক্ষাধিক মানুষ আজ ঈদ উদযাপন করেন।

হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা গ্রামের পীর বাড়ির সাদ্রা সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, ‘আজ রোববার সৌদি আরবে ঈদ তাই সাদ্রাসহ চাঁদপুরের ৪০ গ্রামে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।’

এ বিষয়ে সাদ্রা দরবার শরীফের বর্তমান পীর মাওলানা আবু জোফার আব্দুল হাই জানান, সাদ্রা দরবার শরীফের তৎকালীন পীর মাওলানা ইসহাক আরব দেশসমূহের সঙ্গে মিল রেখে আগাম রোজা রাখাসহ দুই উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালনের নিয়ম চালু করেন। হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা গ্রামে ১৯২৮ সাল থেকে একদিন আগে এই প্রথা চালু করলেও এখন ৪০টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ দেশের নিয়মের বাইরে অর্থাৎ একদিন আগে ঈদ উদযাপন করেন।

সাদ্রা ছাড়াও জেলার ৪০টি গ্রামের একাংশে ওই পীরের অনুসারীরা একদিন আগে ঈদসহ অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদ্যাপন করেন।

গ্রামগুলো হচ্ছে : হাজীগঞ্জ উপজেলার বলাখাল, শ্রীপুর, মনিহার, বরকুল, অলীপুর, বেলচোঁ, রাজারগাঁও, জাকনি, কালচোঁ, মেনাপুর, ফরিদগঞ্জ উপজেলার শাচনমেঘ, খিলা, উভারামপুর, পাইকপাড়া, বিঘা, উটতলী, বালিথুবা, শোল্লা, রূপসা, গোয়ালভাওর, কড়ইতলী, নয়ারহাট, মতলবের মহনপুর, এখলাসপুর, দশানী, নায়েরগাঁও, বেলতলীসহ কচুয়া ও শাহরাস্তির বেশ কয়েকটি গ্রাম।

এ ছাড়া চাঁদপুরের পার্শ্ববর্তী নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, শরীয়তপুর ও চট্টগ্রাম জেলার কয়েকটি স্থানে মাওলানা ইছহাক খানের অনুসারীরা একদিন আগে ঈদ উদযাপন করেন।

এছাড়া বরিশাল নগরীর তিনটি এলাকায়সহ বিভাগের ৪০ গ্রামে আজ আগাম ঈদুল আজহা পালন করা হয়েছে। এরা চট্টগ্রামের চন্দনাইশ কাঞ্চন নগর পশ্চিম এলাহাবাদ জাহাগিরিয়া শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরিফের অনুসারী। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে তারা ঈদ পালন করেন।

বিভাগীয় প্রধান মসজিদ বরিশাল নগরীর ২৩নং ওয়ার্ডের তাজকাঠির হাজী বাড়ী এলাকায়। সকাল ৯টায় ওই মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত হয়। নামাজ শেষে তারা এক অপরের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয় এবং পশু কোরবানি দেয়।

Share





Related News

Comments are Closed