Main Menu

সিলেটে দুই লক্ষাধিক কোরবানির পশু প্রস্তুত

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের তথ্যমতে আসন্ন ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে সিলেট বিভাগের ৩৫ হাজার ৬৬৫ জন খামারির কাছে ২ লাখ ২ হাজার ৯০২টি কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে। এরমধ্যে সবেচেয়ে বেশি কোরবানির পশু মজুদ রয়েছে সিলেট জেলায়, আর সবচেয়ে কম রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।

আর মাত্র ১১দিন পরেই পালিত হবে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বড় উৎসব ঈদুল আযহা। ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে পশু কিনে মজুদ করেছেন ব্যবসায়ীরা। কোরবানির জন্য কয়েক মাস আগে থেকেই গরু কিনে মজুদ করেন তারা। এখন গ্রামাঞ্চলের খামারিরা সিলেট এসে ব্যবসায়ীদের কাছে পশু বিক্রি করে যাচ্ছেন। সিলেট নগরের সড়কেই ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করার জন্য কোরবানির পশুর দেখা মিলে। পাশাপাশি ঈদকে সামনে রেখে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা খামারিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পশুর দরদাম শুরু করেছেন। তবে ভারতীয় পশু আর চোরাকারবারিদের ভয়ে দাম নিয়ে অনেকটা চিন্তিত রয়েছে খামারিরা। প্রতি বছর সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পশু নিয়ে আসেন চোরাকারবারিরা। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হন স্থানীয় পর্যায়ে পশু মজুদ করা খামারিরা।

Manual4 Ad Code

তবে স্থানীয় খামারিরাও এবার বেশি সংখ্যক পশু প্রস্তুত করেছেন কোরবানির জন্য। তাই সিলেটে এবার কোরবানির পশুর সংকট হবে না বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী, খামারি ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তারা।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা বলছেন, কোরবানির সময় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সিলেটে প্রচুর পরিমাণ পশু আসে। এছাড়া সিলেটেও এবার পর্যাপ্ত পরিমান কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হচ্ছে। এবার কোরবানিতে সিলেটে পশুর সংকট হবে না বলেও আশা করছেন কর্মকর্তারা।

Manual5 Ad Code

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা যায় সিলেট বিভাগে ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত খামারির সংখ্যা ৩৫ হাজার ৬৬৫ জন। এসব খামারিদের কাছে কোরবানির পশু আছে ২ লাখ ২ হাজার ৯০২টি। এর মধ্যে ষাড় ১ লাখ ১৯ হাজার ১৫০, বলদ ২৯ হাজার ৯১১, গাভী ১৯ হাজার ৬১৯, মহিষ ৫ হাজার ২০৭, ছাগল ১৯ হাজার ৯১৩, ভেড়া ৮ হাজার ৯৭৪ এবং অন্যান্য পশু ১২৮টি।

সিলেট জেলায় ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত খামারির সংখ্যা ১০ হাজার ৮৪৩ জন। এসব খামারিদের কাছে কোরবানির পশু আছে ৮৭ হাজার ১৯০টি। এর মধ্যে ষাড় ৫০ হাজার ৯৯২, বলদ ৯ হাজার ৭৫৬, গাভী ৭ হাজার ৭৯৮, মহিষ ৩ হাজার ১১৪, ছাগল ৯ হাজার ৭৩৬, ভেড়া ৫ হাজার ৬৭৬ এবং অন্যান্য পশু ১১৮ টি।

Manual7 Ad Code

মৌলভীবাজার জেলায় ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত খামারির সংখ্যা ৭ হাজার ৪৭ জন। এসব খামারিদের কাছে কোরবানির পশু আছে ২৭ হাজার ৫০৭ টি। এরমধ্যে ষাড় ১৬ হাজার ৯০৩, বলদ ৩ হাজার ৩০৪, গাভী ২ হাজার ৩৩৬, মহিষ ৬৮১, ছাগল ৩ হাজার ৪৬১ এবং ৮২২ টি ভেড়া রয়েছে।

হবিগঞ্জে ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত খামারির সংখ্যা ৮ হাজার ১৩৭ জন। এসব খামারিদের কাছে কোরবানির পশু আছে ২৯ হাজার ৯৬ টি। এরমধ্যে ষাড় ১৫ হাজার ৪০৫, বলদ ৪ হাজার ১০২, গাভী ৪ হাজার ৪৭২, মহিষ ৫৫৪, ছাগল ৩ হাজার ৩৯২, ভেড়া ১ হাজার ১৬১ এবং অন্যান্য পশু ১০ টি।

সুনামগঞ্জে ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত খামারির সংখ্যা ৯ হাজার ৬৩৮ জন। এসব খামারিদের কাছে কোরবানির পশু আছে ৫৯ হাজার ১০৯ টি। এরমধ্যে ষাড় ৩৫ হাজার ৮৫০, বলদ ১২ হাজার ৭৪৯, গাভী ৫ হাজার ১৩, মহিষ ৮৫৮, ছাগল ৩ হাজার ৩২৪ এবং ১ হাজার ৩১৫ টি ভেড়া রয়েছে।

Manual5 Ad Code

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘সিলেট বিভাগে চাহিদা অনুযায়ী খামারগুলোয় পর্যাপ্ত সংখ্যক পশু আছে। অভ্যন্তরীন উৎপাদিত পশু দিয়েই কোরবানির পশুর চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। এতে স্থানীয় খামারিরা লাভবান হবেন।’ সুষম খাবার এবং নিয়মিত কৃমিনাশকের ব্যবস্থাসহ পশু পালনের ক্ষেত্রে আরো যত্নবান হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code