Main Menu

‘কাতার ইমিগ্রেশন আমাকে আটক করেনি’

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : বিমানের জ্যেষ্ঠ পাইলট ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ আত্মপক্ষ সমর্থন করে জানিয়েছেন, পাসপোর্ট ছাড়া কাতারে গেলেও দোহার হামাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে আটক বা জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। পাসপোর্ট না পেয়ে তিনি নিজেই বিমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং এয়ারপোর্টের ভেতরে হোটেলে অবস্থান নেন। ৬ জুন বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্ট যাওয়ার পর ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

কাতারে অবস্থানরত ফজল মাহমুদ শুক্রবার মুঠোফোনে গণমাধ্যমকে এ কথাই জানিয়েছেন।

মূল ঘটনার বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘গত ৩ জুন ডলার এনডোর্স করতে ঢাকার একটি ব্যাংকে গিয়েছিলাম। তখন ব্যক্তিগত একটি ছোট ব্যাগে থাকা পাসপোর্টটি ব্যাংকের কাজ শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরে ফ্লাইট অপারেশন অফিসে ফেলে যাই। পরে ব্যাগটি দেখে আমার সহকর্মীরা সেটি আমার ব্যক্তিগত লকারে সংরক্ষণে রাখেন। কাতার ইমিগ্রেশন আমাকে আটক কিংবা জিজ্ঞাসাবাদ করেনি।’

Manual3 Ad Code

প্রায় ৩০ বছর ধরে বিমানের পাইলট হিসেবে ফ্লাইট পরিচালনা করা ফজল মাহমুদ বিশেষ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বলেই বিমানের ভিভিআইপি ফ্লাইটগুলো তার হাতেই পরিচালনা হয়।

ভুলে পাসপোর্ট ফেলে যাওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে ফজল মাহমুদ বলেন, ‘আমার ৩০ বছরের পেশাগত জীবনে এমন ভুল আগে কখনও হয়নি। ওইদিন দোহা বিমানবন্দরে অবতরণের পরই দেখি সঙ্গে পাসপোর্ট নেই। পরে আমি ওখানকার ইমিগ্রেশন যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত অরিক্স এয়ারপোর্ট হোটেলে অবস্থান নিই।’

এর আগে ফিনল্যান্ড সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আনতে গত বুধবার রাতে বিমানের একটি ফ্লাইটে করে ঢাকা ছেড়ে কাতারের উদ্দেশে রওনা দেন ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ। কিন্তু পাসপোর্ট না থাকায় দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানের স্টাফদের জন্য নির্ধারিত হোটেলে যেতে পারেননি তিনি।

এরপর কাতার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।

পাসপোর্ট ছাড়া প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী একটি বিমানের পাইলট কী করে দেশের বাইরে যাত্রা করে, তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না- এমন প্রশ্নে মুহিবুল হক বলেন, ‘তাকে আগে দেশে ফেরত আনতে হবে। সেজন্যই পাসপোর্টটি পাঠানো হচ্ছে। তিনি দেশে ফিরলে এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Manual1 Ad Code

এদিকে পাসপোর্ট ছাড়া কোনও ব্যক্তির দেশত্যাগ কিংবা বিদেশে প্রবেশের অনুমতি না থাকলেও ক্যাপ্টেন ফজলে মাহমুদের এমন হেয়ালিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে সমালোচনা শুরু হয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে।

Manual2 Ad Code

উল্লেখ্য, নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশের যেকোনও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট ছাড়ার আগে পাইলট, কেবিন ক্রুদের জেনারেল ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করতে হয়। এই ফরমে পাসপোর্ট নম্বর, জন্ম তারিখ, গন্তব্যসহ প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ করতে হয়। এছাড়া তাদের ব্যক্তিগত পাসপোর্টও অবশ্যই সঙ্গে নিতে হয়। যা বিদেশে ইমিগ্রেশনকে শো করতে হয়।

Manual3 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code