Main Menu

পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা: লাইফ সাপোর্টে নুসরাত

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফেনীর আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফির অবস্থা সংকটাপন্ন।

সোমবার (৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নুসরাতকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে।

বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, তার অবস্থা ভালো না। শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে। ভর্তি হওয়ার পর থেকেই নুসরাতকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল, এখন লাইফ সাপোর্ট আছে।

শ্লীলতাহানির মামলা তুলে না নেওয়ায় ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলা তার অনুসারীদের দিয়ে নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা চালান বলে মেয়েটির স্বজনদের অভিযোগ।

নুসরাতের ভাই সাংবাদিকদের জানান, ২৭ মার্চ ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলা নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে তার বোনের ‘শ্লীলতাহানি’ করেন। পরে সে পরিবারকে জানালে তার মা সোনাগাজী থানায় মামলা করেন।

তার অভিযোগ, পুলিশ অধ্যক্ষকে আটকের পর থেকে তার লোকজন মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। এর মধ্যে ৬ এপ্রিল শনিবার সকালে তার বোন ওই মাদ্রাসা কেন্দ্রে আরবি প্রথম পত্র পরীক্ষা দিতে যায়।

বোনের বরাত দিয়ে তার ভাই বলেন, কেন্দ্রে গিয়ে সে খবর পায়, তার এক বান্ধবীকে ছাদে মারধর করা হচ্ছে। তখন দৌড়ে ছাদে গেলে মাদ্রাসার চার শিক্ষার্থী তাকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেয়। সে মামলা তুলতে অস্বীকার করলে তারা তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় তার চিৎকার শুনে পুলিশ ও অন্যরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

অগ্নিদগ্ধ নুসরাতকে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ফেনী সদর হাসাপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রোববার রাতে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে গিয়ে নুসরাতের অবস্থার খোঁজ-খবর নেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে দীপু মনি বলেন, যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিচার করা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed