Main Menu

সীমান্ত হত্যা বন্ধ ও পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সীমান্ত হত্যা বন্ধ ও পানি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যের দাবীতে ২৩ মার্চ শনিবার সকাল ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মুখে নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের আহ্বায়ক মোঃ হারুন অর রশিদ খান, নাগরিক পরিষদের সদস্য সচিব হিফজুর রাহমান, লালমনিরহাট অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ সামছুল আলম প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা উদ্বেগজনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নিরীহ ফেলানীর মতো আবারো কাঁটাতারে ঝুলছে বাবুর লাশ, সাম্প্রদায়িক দেশ ভারত গরু ব্যবসার বৈধতা না দিয়ে গরু ব্যবসাকে অবৈধ রেখেও বিলিয়ন ডলার প্রতিবছর উপার্জন করে। আমাদের দেশের নিরীহ গরুর ব্যবসায়ীরা তাদের সাম্প্রদায়িকতার বলী হচ্ছে। ফেলানী হত্যার বিচার আজও করেনি ভারতীয় আদালত। বিশ্ববাসী, বাংলাদেশ এবং ফেলানীর পরিবার বিচারের আকাঙ্খায় প্রহর গুনছে। ফেলানী হত্যার বিচার না হলে, সীমান্ত হত্যা বন্ধ হবে না। ফেলানীর মত কাঁটাতারে ঝুলছিল বাবুর লাশ, আর কত ঝুলবে? নতঝানু পররাষ্ট্রনীতির বলী এদেশের সাধারণ নাগরিক। আমাদের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, ফারাক্কা, গজলডোবা, টিপাইমুখ বাঁধ এবং আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প বাংলাদেশকে মরুভূমিতে পরিণত করবে। ভারত যদি বন্ধু হয় তবে আমাদের নদীতে বাঁধ দিয়ে পানি লুট করে কোনদিন বন্ধু হতে পারে না। প্রবাহিত নদীগুলো আমাদের জাতির দেহে রক্তপ্রবাহ। এই রক্তপ্রবাহে বাঁধা সৃষ্টি করলে সেই দেহ প্রাণহীন হয়ে মরে যায়। বন্ধু কখনো বন্ধুকে মারতে পারে না। ভারত আমাদের বন্ধু হলে আমাদের জাতির রক্তপ্রবাহ নদীতে বাঁধ দিতে পারে না। আমাদের জাতিকে মরুভূমি বানিয়ে হত্যা করতে পারে না। এ বছর অকাল বন্যায় লালমনিরহাটসহ তিস্তা পাড়ের জেলাগুলো ও দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ভয়াবহ হুমকিতে আছে।

নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক বলেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধে, পানির আগ্রাসন রোধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। যার কোন বিকল্প নাই।

Share





Related News

Comments are Closed