Main Menu

সিলেটে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, টাকা ও স্বর্ণ লুট

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের বাটিয়ারচর গ্রামে এক স্পেন প্রবাসীর বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা গভীর রাতে পরিবারের সবাইকে হাত বেধে এক রুমে জিম্মি করে স্পেন প্রবাসী হেলাল আহমদের বাড়িতে থাকা নগদ ১২ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা, ১১ ভরী স্বর্ণালঙ্কার ও ২টি আই ফোন সহ ১০টি মোবাইল ফোন লুট করে নেয়।

ঘটনাটি ঘটেছে ১৪ মার্চ বৃহস্পতিবার দিবগত রাতে দাউদপুরের বাটিয়ারচর গ্রামের আব্দুল মছব্বিরের বাড়ীতে।

Manual7 Ad Code

জানা যায়, রাত ২টায় মুখোশ পরিহিত ৮/১০ জনের একটি ডাকাত দল মছব্বির এর বাড়ীর পেছনের গেইট দিয়ে বাড়ীর ভেতরে প্রবেশ করে ঘরের সামনের কলাপসেপুল গেইটের ২টি তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে। প্রথমে ডাকাত দল সৌদী প্রবাসী ইসলাম উদ্দিনের স্ত্রী জাহানারা বেগমের রুমের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে জাহানারার হাত বেধে ফেলে এবং আলামিরার চাবি সহ বাড়ীর কোথায় কি আছে তা বলতে বাধ্য করে। ডাকাতদের কথার শব্দ শোনে তার মেয়ে ৫ম শ্রেণির ছাত্রী সোনিয়া আক্তার ঘুম থেকে জেগে উঠে চিৎকার দিতে থাকে। এসময় তার চিৎকার বন্ধ করতে ডাকাতরা তাকে চর-থাপ্পর দেয় এবং মুখ বেধে ফেলে। এ সময় সোনিয়ার কানের স্বর্ণের দোল ডাকাতরা খুলে নেয়। পরে ডাকাতরা স্পেন প্রবাসী হেলাল আহমদের রুমের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে তাকে বেধে ফেলে। এ পর্যায়ে অন্য রুম থেকে তার পিতা আব্দুল মছব্বির ও ভাই বেলাল আহমদকে হেলালের রুমে এনে বন্দি করে রাখে। যাতে তারা চিৎকার করতে না পারে সে জন্য ডাকাতরা তাদেরকে কম্বল দিয়ে ঢেকে রাখে। প্রায় ঘন্টাখানেক ডাকাতরা লুটপাট চালায়। যাওয়ার সময় ডাকাতরা পরিবারের সবাইকে এক রুমে রেখে বাহির থেকে বন্ধ করে চলে যায়।

ঘটনার সময় ডাকাতরা স্পেন প্রবাসীর মা রুফিয়া বেগমকে বন্দি না করে চলে যাওয়ায় তিনি তাদের পুরাতন বাড়িতে গিয়ে ডাকাতির ঘটনা বললে পুরান বাড়ির সবাইকে সাথে নিয়ে এসে পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করেন।

জানা যায়, ১৪ ফেব্রয়ারি স্পেন প্রবাসী হেলাল আহমদ বাড়ীতে আসেন। তার প্রচেষ্টায় তার ছোট ভাই বেলাল আহমদ ১৫ মার্চ শুক্রবার তুর্কী যাওয়ার কথা ছিল।

Manual3 Ad Code

এলাকাবাসী জানান, ডাকাত দল ডাকাতি শেষে মোটর সাইকেল যোগে দাউদপুর চৌধুরী বাজারের দিকে চলে যায়।

Manual2 Ad Code

খবর পেয়ে রাতেই মোগলাবাজার থানার টহল পুলিশ ও শুক্রবার সকালে মোগলাবাজার থানার ওসি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ এম খলিল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ ব্যাপারে স্পেন প্রবাসী হেলাল আহমদ বলেন, আমরা প্রবাসে থাকি। নিজেদের জন্মভূমিতে এসে যদি জানমালের নিরাপত্তায় থাকতে না পারি তাহলে আর দেশে আসতে মন চাইবে না। ডাকাতির ঘটনায় মোগলাবাজার থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এ ব্যাপারে মোগলাবাজার থানার ওসি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, ঘটনাটি রহস্যজনক। বেলাল আহমদ তুর্কী যাওয়ার জন্য তাদের এক আত্মীয়ের কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা আনে। নগদ টাকার কথা যারা জানতো তারাই এ ঘটনা ঘটাতে পারে। ঘটনার সাথে জড়িতদের খোঁজে বের করে গ্রেফতার করতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Manual1 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code