Main Menu

লুনার প্রার্থিতা বাতিল নিয়ে প্রশ্ন বিএনপি মহাসচিবের

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : উচ্চ আদালতে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ অবস্থায় আদৌ সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কি না- সে বিষয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল বলেন, “অবাক বিস্ময়ে লক্ষ্য করছি যে, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন এমনকি বিচার বিভাগ, তারা আজকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করবার জন্য একজোট হয়েছে। এটা আমাদের কাছে শুধু বিস্ময়কর নয়, অত্যন্ত আতঙ্কের। এই কথাগুলো বলছি, অত্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে বলছি।”

মির্জা ফখরুল বলেন, “আমাদের কাছে মনে হয়েছে, একদম উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাদের প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিল করছে। একটা উদাহরণ আমি দেখাতে চাই, সিলেট-২ আসনে। সেখানে আমাদের গুম হয়ে যাওয়া নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। তিনি পদত্যাগ করে প্রার্থী হয়েছেন।

“তিন বছর আগে কেন পদত্যাগ করেননি সেই অভিযোগে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক সরদার জৈন্তাপুর সরকারি ইমরান আহমেদ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত আছেন। লুনার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে, কিন্তু এনামুল হক সরদারের প্রার্থিতা বাতিল হয়নি।”

ফখরুল বলেন, “লুনার প্রার্থিতা নির্বাচন কমিশন থেকে বাতিল হয়নি। কারণ আমাদের দেশে যে আইন আছে, সরকারি চাকরি না করলে ওই তিন বছরের বাধ্যবাধকতা নেই। স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে থেকে নির্বাচন করা সম্ভব, এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে আছে নির্বাচন চলাকালেও পদত্যাগ করতে হবে না, নির্বাচিত হলে তাকে পদত্যাগ করতে হবে।

“হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছে এই আদেশটাকে আমরা কী বলব? এটাকে কি আইন সম্মত বলব না, বেআইনি বলব? এটা কি ইনোসেন্ট অর্ডার না উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আদেশ বলব? আমার বক্তব্য হচ্ছে- আজকে এই কাজগুলো কেন করা হচ্ছে?”

নির্বাচন কমিশন যাকে বৈধ ঘোষণা করেছে, নির্বাচন চলাকালীন সময়ে তার প্রার্থিতা বাতিল করার এখতিয়ার হাই কোর্টের আছে কি না- সেই প্রশ্ন তোলেন ফখরুল।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অন্তত আটটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র হাই কোর্টের আদেশে বাতিল হয়ে গেছে। সে সব আসনে নির্বাচন স্থগিত করে পুনঃতফসিল দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনে লিখিত আবেদন করেছে দলটি।
তার আগে তিন আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্রও নির্বাচন কমিশন বাতিল করে দিয়েছে দুর্নীতি মামলায় তার দুই বছরের বেশি দণ্ড হওয়ার কারণে।

Share





Related News

Comments are Closed