Main Menu

শিলংয়ে সালাউদ্দিনের মামলার রায় ফের পেছাল

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: অবৈধ অনুপ্রবেশের কারণে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায়ের তারিখ দ্বিতীয় দফায় পেছাল।

আজ শুক্রবার সকালে শিলংয়ের আদালতে রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত ছিল। তবে আদালতের পিপি রাজীব নাথ অসুস্থ থাকায় রায় ঘোষণার জন্য ১৫ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন বিচারিক হাকিম ডিজি খার সিং।

এসময় আদালতে সালাউদ্দিন আহমদ এবং তার স্ত্রী হাসিনা আহমেদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন বলে শিলংয়ে অবস্থানরত সিলেটের আইনজীবী আব্দুল মুকিত অপি জানিয়েছেন।

এর আগে গত ২৫ জুন উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত ১৩ আগস্ট রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন। কিন্তু পরে তা পিছিয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়।

প্রসঙ্গত, ভারতের অনুপ্রবেশের অভিযোগে ২০১৫ সালে মার্চ মাসে এই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মেঘালয় পুলিশ সিটি থানায় একটি মামলা করে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলে শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিচারক তাকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেন। তবে ভারত ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা থাকায় শিলং শহরেই বসবাস করছেন তিনি।

অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক হবার প্রায় দুই মাস আগে থেকে বাংলাদেশে ‘নিখোঁজ’ ছিলেন সালাউদ্দিন। ২০১৫ সালের ১১ মার্চ শিলং শহরের গলফ মাঠ থেকে পুলিশ সালাউদ্দিনকে আটক করেছিল। অসংলগ্ন কথাবার্তা শুনে শিলং পুলিশ প্রথমে তাকে একটি মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করায়। তবে চিকিৎসকরা জানান মানসিক নয়, বিএনপি নেতা শারীরিকভাবে অসুস্থ।

তাই তাকে শিলং সিভিল সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে তার পরিবারের সদস্যদের আবেদনের প্রেক্ষিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নর্থ ইস্টার্ন ইন্দিরা গান্ধী রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ অ্যান্ড মেডিকেল সায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

অসুস্থতার মধ্যেই ২০১৫ সালের ২৭ মে মামলার শুনানিতে শিলংয়ের জেলা ও দায়রা আদালতে হাজির হন সালাউদ্দিন আহমেদ। এর পর প্রায় তিন বছর ধরে চলে বিচারপর্ব। একাধিক আইনজীবী জানান, অনুপ্রবেশের মামলায় এতো দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শিলং আদালতে এর আগে দেখা যায়নি।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের সাজা হতে পারে সালাহউদ্দিন আহমেদের। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আইসি ঝাঁ জানান, সালাহউদ্দিন আহমেদ অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। এ বিষয়ে সব তথ্যপ্রমাণ আদালতের কাছে হাজির করা হয়েছে। তিনি মনে করেন, তারা প্রমাণ করতে পেরেছেন, সালাহউদ্দিন আহমেদ অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। তাই সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন তারা।

অন্যদিকে সালাহউদ্দিন আহমেদের আইনজীবী এসপি মোহন্ত বলেন, সালাহউদ্দিন আহমেদ কীভাবে ভারতে এসেছেন তা আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাকে কে বা কারা বাংলাদেশ থেকে তুলে নিয়েছিল, এমন খবর বাংলাদেশের সংবাদপত্রে রয়েছে। তাই তিনি মনে করেন, এ মামলায় সালাহউদ্দিন আহমেদ খালাস পাবেন।

Share





Related News

Comments are Closed