Main Menu

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যায় ৩ জনের ফাঁসির রায়

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার বাকাকুড়া গ্রামে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী বিনা আক্তারকে (১৫) ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান এই রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আমানুল্লা (২৫), নূরে আলম (৩০) ও কালু মিয়া (৩২)। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় আমানুল্লা ও নূরে আলম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত কালু মিয়া ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের নয় জুলাই রাত আটটার দিকে বিনা আক্তারকে বাকাকুড়া গ্রামের নানী বাড়ি থেকে আসামি কালু মিয়া ডেকে নিয়ে যায় এবং অন্য আসামিদের হাতে তুলে দেয়। পরে সবাই মিলে ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করে। ২১ জুলাই বিনার মরদেহ বাকাকুড়া এতিমখানার পশ্চিম পাশের শিলঝোড়া খাল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ২১ জুলাই ছাত্রীটির মা সবুজা খাতুন বাদী হয়ে আমানুল্লা, নূরে আলম, কালু মিয়া, হারুনুর রশিদ, সুন্দরী বেগম, আনোয়ার হোসেন আনু ও বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা করেন।

পরে মামলার তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ২০ অক্টোবর ঝিনাইগাতী থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল করিম আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত আজ বৃহস্পতিবার এ দণ্ড দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া ও আসামিপক্ষের হরিদাস কর্মকার স্বপন এবং নূরে আলম হীরা মামলাটি পরিচালনা করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে পিপি গোলাম কিবরিয়া বলেন, তারা ন্যায় বিচার পেয়েছেন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী হরিদাস কর্মকার স্বপন বলেন, বিচার সঠিক হয়নি। এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

Share





Related News

Comments are Closed