Main Menu

বিশ্বম্ভরপুরে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা: সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ধর্ষণের শিকার উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের এক মহিলা (২৬) বাদি হয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং ২০।

জানা গেছে, বুধবার বিকেলে উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন চাকরি ও সেলাই মেশিন দেয়ার কথা বলে ওই মহিলাকে তার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে আসেন। পরে ওই মহিলাকে বলেন যে উপর তলার রুমে যেতে হবে, চাকরি পেতে হলে মন্ত্রণালয়ের কিছু কাগজ পত্র আছে এগুলোতে স্বাক্ষর করতে হবে। না হলে চাকুরী হবে না। এই বলে হারুন তাকে উপর তলার রুমে নিয়ে যান এবং সাথে সাথে দরজা বন্ধ করে দিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

এদিকে এ ঘটনার পর পালিয়ে যান চেয়ারম্যান হারুন। আর বর্তমানে ওই মহিলা থানায় পুলিশ হেফজতে রয়েছেন।

এ ব্যাপারে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনের বিরুদ্ধে এর আগেও মেয়েদেরকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ছিল। কিন্তু তিনি ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সব সময় এসব ভুক্তভোগীদের হুমকি দিয়ে দমিয়ে রাখতেন। কিন্তু আজ তার সব কুকীর্তি মানুষ দেখেছে। আমরা এর বিচার চাই।’

তিনি দ্রুত এই চরিত্রহীন চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান।

এ ব্যাপারে বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় নির্যাতনের শিকার ওই মহিলা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে। আসামী ওই ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্ঠা চলছে।

তিনি বলেন- ভিকটিম ওই মহিলা পুলিশ হেফাজতে আছেন। বৃহস্পতিবার সকালে মেডিকেল টেস্টের জন্য তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।

Share





Related News

Comments are Closed