জাপা নেতা আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী গুরুতর অসুস্থ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী গুরুতর অসুস্থ হয়ে নগরীর তালতলাস্থ পার্কভিউ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি ১৩ দিন থেকে এই হাসপাতালে শয্যাশায়ী। তিনি সম্প্রতি ভারতের চেন্নাই থেকে চিকিৎসা নিয়ে এসেছেন। ১৩ দিন পূর্ব থেকে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর সুস্থতার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে দুআ কামনা করা হয়েছে।
১৯৫৩ সালের ৫ মে জন্মগ্রহণ করেন বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী। তিনি ওসমানীনগর উপজেলার পাঁচপাড়া গ্রামের সরকারি চাকরিজীবী মরহুম আবুল হোসেন সিদ্দিকী এবং মরহুমা ছায়ফুন্নেছা জায়গীরদারের ছেলে। ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং এরপর ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতি করে ওঠে আসা আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী অনেক ত্যাগ স্বীকার করে এসেছেন বর্তমান অবস্থানে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানামুখি প্রতিবন্ধকতার সম্মুখিনও হয়েছেন তিনি।
আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী ৬৯-এর পরই তিনি ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৭০ সালে সিলেট জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য হন এবং পরবর্তীকালে বিভিন্ন ইউনিটে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি এমসি কলেজের ছাত্র থাকাবস্থায় কলেজ কেবিনেট নির্বাচনে অংশ নেন। ওই সময় তিনি বিপুল ভোটে সাহিত্য সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। পড়ালেখা বাদ দেওয়ার পর তিনি শ্রমিক সংগঠন ট্রেড ইউনিয়নের একজন প্রিয় সংগঠক হিসেবে সবার আস্তা এবং ভালোবাসা অর্জন করেন। অল্প সময়ে সাধারণ শ্রমিকদের কাছে হয়ে ওঠেন একজন যোগ্য শ্রমিক নেতা। ছাত্র ইউনিয়ন করার সুবাদে মূল সংগঠন ন্যাপ মুজাফ্ফরের সাথে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন।
জাপার রাজনীতিতে কীভাবে আসা এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৯৮৫ সালের দিকে আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী তখন ন্যাপ এবং ট্রেড ইউনিয়নের একজন সংগঠক। ওই সময় ১৮ দফা আন্দোলন চলছে। তখন ১৮ দফা আন্দোলনের অগ্রসৈনিক জাপার কেন্দ্রীয় নেতা মরহুম আবুল কাশেম মন্টুসহ কয়েকজন হামলায় আহত হন। এর কিছুদিন পর কোর্ট পয়েন্টে আব্দুল্লাহ সিদ্দিকীর সাথে দেখা হয় আবুল কাশেম মন্টুর। মন্টু ১৮ দফা আন্দোলনে যোগ দিতে তাঁকে প্রস্তাব দেন। বিষয়টি ভেবে জানাবেন বলে জানান আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী। এরপর ১৯৮৬ সালে জাপায় যোগদেন আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী। জাতীয় পার্টির জেলার প্রথম কমিটিতেই তাঁকে স্থান দেওয়া হয় শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে। একই বছর তিনি সিলেট জেলা শ্রমিক পার্টির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান।
১৯৯০ সালে জেলা জাপার সহ-সাধারণ সম্পাদক হওয়া আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী ১৯৯৬ সালে তৎকালিন এমপি ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মখসুদ ইবনে আজিজ লামা যুক্তরাজ্যে চলে গেলে দায়িত্ব পান ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের। ১৯৯৮ সালে জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিকীকে জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেন। ওই বছরই তাঁকে কেন্দ্রীয় জাপার সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। এরপর জেলা জাপার সভাপতি ও আহ্বায়ক হিসেবে তিনবার দায়িত্ব পালন করে আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী। বর্তমানে তিনি জাপার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।-বিজ্ঞপ্তি
Related News
১১ দলীয় ঐক্যের দ্বিতীয় লংমার্চের তারিখ ঘোষণা, দাবিতে নতুন দফা যোগ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ছয় দফা দাবি এখন রূপান্তরিতRead More
জামিনে মুক্ত বিদিশা সিদ্দিক
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড পাওয়া সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রাক্তনRead More



Comments are Closed