Main Menu

মধ্যরাতে পুলিশ ফাঁড়িতে আরিফের অবস্থান

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর পোস্টার সাটানোর সময় এক সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ। এর প্রতিবাদে বন্দর বাজার ফাঁড়ির প্রধান ফটকে অবস্থান নেন স্বয়ং আরিফ।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী (ভিপি মাহবুব) জানান, বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বন্দরবাজার এলাকা থেকে নজরুল নামের ওই সমর্থককে ধরে নিয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার বন্দর বাজার ফাঁড়িতে আটকে রাখে পুলিশ।

খবর পেয়ে আরিফুল হক চৌধুরী দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে সেখানে আসেন। তিনি তার সমর্থককে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে ফাঁড়ির মূল ফটকে চেয়ার নিয়ে বসে পড়েন। তখন পুলিশ ফাঁড়ির ফটক ভেতর থেকে বন্ধ ছিলো। পরে রাত ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে পুলিশ আটক লোকমানকে ছেড়ে দিলে তাকে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন আরিফ।

এসময় আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুর রাজ্জাক, মহানগর সহ-সভাপতি সালেহ আহমদ খসরু, জেলা সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদসহ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন।

আরিফের অভিযোগ, বন্দরবাজার এলাকায় তাঁর নির্বাচনী পোস্টার লাগানোর সময় এককর্মীকে মারধর করে বন্দরবাজার ফাঁড়ি পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে অপর মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের সমর্থক ছাত্রলীগ কর্মীরা। ওই কর্মীকে ছেড়ে দেওয়ার দাবিতেই পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অবস্থান নেন আরিফ।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বুধবার রাতে বন্দরবাজার এলাকায় আমার নির্বাচনী পোস্টার সাটাচ্ছিলো নজরুল ইসলামসহ কয়েকজন কর্মী। এসময় ছাত্রলীগের কয়েকজন সমর্থক তাদের মারধর করে নজরুলকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এই ঘটনার বিচার দাবিতে ও আমার কর্মীকে ছেড়ে দেওয়ার দাবিতে আমি পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অবস্থান নেই।

তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের সাথে কথা বলেছিলাম। তিনি বলেছেন, আমার কর্মীই নাকি তাঁর (কামরানের) পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছে।

এ প্রসঙ্গে কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগে কয়েকজন যুবক একজনকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে আরিফুল হক এসে ওই ব্যক্তিকে তাঁর কর্মী দাবি করলে ও পোস্টার ছেঁড়ার কথা অস্বীকার করলে আমরা তাকে ছেঁড়ে দেই।

Share





Related News

Comments are Closed