Main Menu

জৈন্তাপুরে আকস্মিক বন্যায় নিন্মাঞ্চল প্লাবিত

মোঃ রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় ১২ জুন মঙ্গলবার হতে টানা বর্ষন এবং ভারতের মেঘালয় রাজ্য হতে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় উপজেলার সীমান্তঘেষা ইউনিয়ন নিজপাট, জৈন্তাপুর ও চারিকাটা ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সারী নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বিপদ সীমার .৫৯ সেন্টি মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আকস্মিক পাহাড়ী ঢলের কারনে ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছে উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চলের পরিবার গুলো। তাদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতির স্বীকার হয়েছে নিন্ম আয়ের দিনমজুর ও শ্রমিক পরিবার গুলো। ঈদকে সামনে রেখে পাহাড়ী ঢলের ফলে তাদের পরিবার গুলোতে ঈদের আনন্দ ম্লান হয়ে পড়েছে। কোন ভাবে নিন্ম আয়ের মানুষেরা পবিত্র ঈদুল ফিতর পালনের প্রস্তুতি নিলেও আকস্মিক বন্যায় বাড়ী-ঘর তলিয়ে যাওয়ার কারনে তাদের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হওয়ায় ঈদ আনন্দ হতে বঞ্চিত হওয়ার আশংঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বুধবার বিকাল ৫টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সীমান্তবর্তী ৩টি ইউনিয়নের পানিবন্দী পরিবার গুলোর মধ্যে ইফতার সামগ্রী, কিংবা শুকনো কোন খাবার উপজেলা প্রশাসন কিংবা উপজেলা পরিষদ হতে পৌছাঁয়নি।

অপরদিকে বন্যায় আটকে পড়া পরিবারের লোকজন নিজ উদ্যোগে নৌকা অথবা বেলায় করে ইফতার সামগ্রী সংগ্রহ করতে বাজারের দিকে ছুটে আসতে দেখা যায়।
এদিকে বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি ও পরিবার গুলোর খোঁজ খবর নিতে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিদর্শন করেন জনপ্রতিনিধিগন এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা।

আকস্মিক বন্যায় জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের মাহুতহাটি, দর্জীহাটি, মেঘলী, বন্দরহাটি, লামাপাড়া, ময়নাহাটি, মোরগাহাটি, জাঙ্গালহাটি, মজুমদারপাড়া, নয়াবাড়ী, হর্নি, বাইরাখেল, গোয়াবাড়ী, তিলকৈপাড়া, বড়খেল, ফুলবাড়ী, ডিবিরহাওর, ঘিলাতৈল, মাস্তিং, হেলিরাই। জৈন্তাপুর ইউনিয়নের মুক্তাপুর, বিরাইমারা, বিরাইমারা হাওর, লামনীগ্রাম, কাটাখাল, খারুবিল, চাতলারপাড়, ডুলটিরপাড়, ১নং লক্ষীপুর, ২নং লক্ষীপুর, আমবাড়ী, ঝিঙ্গাবাড়ী, কাঠালবাড়ী, নলজুরী হাওর। চারিকাটা ইউনিয়নের বালিদাঁড়া, লালাখাল, লালাখালগ্রান্ট, রামপ্রসাদ, থুবাং, বাউরভাগ উত্তর, বাউরভাগ দক্ষিণ, পুঞ্জী সহ উপজেলার নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

এদিকে সারীনদী, বড়গাং নদী এবং নয়া গাং নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে সারী নদীর পানি বিপদসীমার .৫৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানান সারী-গোয়াইন বেড়ীবাঁধ প্রকল্পের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মোঃ আলা উদ্দিন। তিনি আরও বলেন বৃষ্টি থামলে পানি কমে যাবে।

এ বিষয়ে জানতে জৈন্তাপুর পানি উন্নয়ন অফিসে গিয়ে কাউকে খোঁজে পাওয়া যায়নি।

Share





Related News

Comments are Closed