Main Menu

রাগীব-রাবেয়া মেডিকেলের দুই ছাত্রী হাসপাতালে, ১১ জনের মৃত্যুর আশংকা

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় আহত সিলেটের জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের দুই ছাত্রী সেখানকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তারা হচ্ছেন- কলেজের ১৯তম ব্যাচের ছাত্রী প্রিন্সি ধামী ও সামিনা বায়জানকার।
বেসরকারি বিমান অপারেটর ইউএস বাংলা জীবিত যে ১৯ জন যাত্রীর তালিকা প্রকাশ করেছে তাদের মধ্যে এই দুইজনেরও নাম রয়েছে। এই দুজন ছাড়া বাকিরা হলেন- ইমরানা কবির হাসি, কবির হোসেন, মেহেদী হাসান, রিজওয়ানা আব্দুল্লাহ স্বর্ণা সাঈদা কামরুন নাহার, শাহরিন আহমেদ, মো. শাহীন বেপারি, মো. রিজওয়ানুল হক, কিশোর ত্রিপাটি, হরিপ্রসাদ সুবেদী, দয়ারাম তামরাকার, কিষাণ পান্ডে, আশিস রঞ্জিত, বিনোদ পৌদাল, সনম সখ্য, দিনেশ হুমাগাইন ও বসন্ত বহরা। কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে রয়েছেন আহতরা।
গতকাল সোমবার নেপালে বিধ্বস্ত বিমানের যাত্রীদের মধ্যে রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১১ ছাত্রী ও দুই ছাত্র ছিলেন। তারা এমবিবিএস ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে দেশের বাড়িতে ফিরছিলেন।
এদিকে হতাহতের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ তিনদিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এ মেডিকেলে অধ্যয়নরত অন্য নেপালী শিক্ষার্থীরাও এ ঘটনায় শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছে।
প্রিন্সি ধামী ও সামিনা বায়জানকার ছাড়াও এই বিমানে রাগীব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজের অন্য শিক্ষার্থীরা হলেন- সঞ্জয় পৌডেল, সঞ্জয়া মহারজন, নেগা মহারজন, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্ণিমা লোহানি, শ্রেতা থাপা, মিলি মহারজন, শর্মা শ্রেষ্ঠ, আলজিরা বারাল, চুরু বারাল ও আশ্রা শখিয়া। সঞ্জয় পৌডেল, সঞ্জয়া মহারজন, নেগা মহারজন, অঞ্জলি শ্রেষ্ঠ, পূর্ণিমা লোহানি, শোয়েথা থাপা, মিলি মহারজন, শর্মা শ্রেষ্ঠ, আলজিরা বারাল, চুরু বারাল ও আষ্ণা শখিয়া।
রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা: আবেদ হোসেন জানান, ওই বিমানে তাদের মেডিকেল কলেজের ১৩ জন ছাত্রী ছিল। তবে, তাদের ভাগ্যে কি ঘটেছে-সে ব্যাপারে তারা এখনো নিশ্চিত নন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই জন ছাড়া বাকি ১১ জনের মৃত্যু ঘটেছে বলে ধারণা করছেন কর্তৃপক্ষ।

Share





Related News

Comments are Closed