Main Menu

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে অগ্নিকান্ডের মামলায় ১০ আসামীর জামিন বহাল

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের মুরারী চাঁদ (এমসি) কলেজের ছাত্রাবাস পুড়ানোর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ১০ আসামীর জামিন বহাল রেখেছেন আদালত।
সোমবার সিলেটের প্রধান মহানগর বিচারিক আদালতের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে জামিনের আবেদন করলে তিনি জামিন বহালের আবেদন মঞ্জুর করেন।
সিলেটের প্রধান বিচারিক আদালতের এপিপি মাহফুজুর রহমান জামিন বহালের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আগে আসামীরা হাইকোর্ট থেকে ৪২ দিনের জামিন নেন। জামিন শেষ হলে তারা সিলেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন বহালের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন বহালের আবেদন মঞ্জুর করেন।
যারা জামিন পেলেন- সিলেট সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও বর্তমানে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাস মিঠু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মো.আলমগির, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি পঙ্কজ পুরকায়স্থ, সাবেক সদস্য সৌরভ দাস, বাবলা, মো. আতিকুর রহমান, মৃদুলকান্তি সরকার এবং আবু সরকার।
এর আগে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিদের মধ্যে আদালতে ধার্য্য করা তারিখে হাজিরা দিয়েছিলেন মাত্র ১০ জন। এর আগে হাজিরা দেওয়া সকলেই হাইকোর্ট থেকে জামিনে ছিলেন।
মামলার বাকি পলাতকরা হলেন- মো. আতিকুর রহমান, লায়েক আহম্মেদ, সিদ্দিক আহম্মেদ ইউসুফ, জহিরুল ইসলাম, আক্তারুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন, আসাদুজ্জামান শাহিন, মোহাম্মদ বিন মামুন বুলবুল, আউলাদ, আছরাফ আহমেদ শিপন, নজরুল ইসলাম, অলিউল্লাহ ওরফে ওলিউর রহমান, খুরশেদ আলম, বাছিদ ওরফে আবদুল বাছিদ, আবদুস সালাম, ইমতিয়াজ রফিক চৌধুরী, আবদল্লাহ ফারুক, কয়েছ ওরফে কয়েছুজ্জামান তালুকদার, আবু রেহান রুবেল। তারা সকলেই শিবিরের সাথে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর সিলেটের চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করার পরদিন তদন্তে উঠে আসা ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক উম্মে সরাবন তহুরা।
২০১২ সালের ৮ জুলাই এমসি কলেজে ছাত্রশিবির ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষের জের ধরে ছাত্রাবাসে দেওয়া আগুনে ১, ২ ও ৪ নম্বর ব্লক সম্পূর্ণরুপে ভস্মীভূত হয়। এ ঘটনার এক সপ্তাহ পর কলেজের হোস্টেল সুপার বশির আহমদ বাদী হয়ে শাহপরান থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আরও দুটি মামলা করা হয়।
আলোচিত এ মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দু’বার ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) একবার আদালতে প্রতিবেদন দাখিল কররেও আদালত তা গ্রহণ করেননি। সর্বশেষ গত বছরের ৩১ মে বিচার বিভাগীয় তদন্তের আদেশ দেন সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে সারাবন তহুরা।

Share





Related News

Comments are Closed