Main Menu

দশমিনা শহরের প্রধান সমস্যা ট্রলি

মামুন তানভীর, দশমিনা প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা শহরের প্রধান সমস্যায় পরিনত হয়েছে ট্রলি (ট্রাফে ট্রাক্টর)। স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা সড়কে চলাচল করছে আতঙ্ক নিয়ে। দখল হয়ে যাচ্ছে উপজেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রর প্রধান সড়ক।
জানা গেছে, কৃষি কাজে ব্যবহারের অনুমতি থাকলেও পটুয়াখালীর দশমিনায় অবৈধভাবে সড়ক দখল করে রাখছে অসাধু ব্যবসায়ীদের ট্রলি (ট্রাফে ট্রাক্টর)। এতে একদিকে যেমন প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট খাটো দূর্ঘটনা অপরদিকে ক্ষতি হচ্ছে বেশি সড়কের। এক কথায় বলা চলে এই ট্রলিই (ট্রাফে ট্রাক্টর) যেন সড়কের দানব। ট্রলি ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে ইট,বালু, সিমেন্ট ও রডসহ সরকার কর্তৃক পরিবহনের নিয়ম নেই এমন সব ভাড়ি মালামাল পরিবহনের প্রভাব সরাসরি পড়ছে সড়কের ওপর। যার ফলে ছয়মাস থেকে ১ বছরের মধ্যেই নির্মাণ করা উপজেলা শহরের নতুন সড়কগুলো চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। ট্রলি (ট্রাফে ট্রাক্টর) উপজেলার প্রধান সড়ক অতিক্রমের সময় সড়কে বালু ও সিমেন্ট পরে সৃষ্টি হয় ধুলাবালির। ফলে প্রধান সড়কটি ধুলাবালিতে একাকার হয়ে যায়। এতে করে চলাচলে অসুবিধা ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে ভূগছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা। ট্রলি (ট্রাফে ট্রাক্টর) চালকদের কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। সেই সাথে রয়েছে তাদের চলাচলের বেপরোয়া গতি। আর এর ফলে প্রাণ হানির ঘটনাসহ প্রতিদিন ঘটছে অনেক বড় ধরনের দূর্ঘটনাও। দশমিনা-পটুয়াখালীর আন্তঃজেলা এই সড়কটির দশমিনা উপজেলার সদরের প্রাণকেন্দ্র দিয়ে বয়ে যাওয়া উপজেলার এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি কলেজ ও একটি মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার লোক চলাচল করে। স্কুলগামী শিক্ষার্থী, পথচারী, বৃদ্ধসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ চলাচল করেন ট্রাফে ট্রাক্টর আতঙ্কে। তাই এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
দশমিনার ওসির অফিসিয়াল কাজের ব্যস্ততার কারনে বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফরিদ উদ্দিন বলেন, প্রধান সড়কে যাতে চলাচল করতে না পারে তার ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed