কক্সবাজারের পথে খালেদা জিয়া
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শনের উদ্দেশে ঢাকা থেকে রওনা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। শনিবার বেলা সাড়ে ১০টার পরে গুলশানের বাসভবন থেকে তাকে বহনকারী গাড়িবহর রওনা হয়। প্রথম দিনে খালেদা জিয়া চট্টগ্রাম গিয়ে সার্কিট হাউজে রাত্রিযাপন করবেন। এর আগে দুপুরে তিনি ফেনী সার্কিট হাউজে যাত্রাবিরতি করবেন।
রোববার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ থেকে যাত্রা শুরু করে বিকেলে কক্সবাজার সার্কিট হাউজে পৌঁছবেন খালেদা জিয়া। এরপর সেখানে তিনি রাত্রিযাপন করবেন।
সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত খালেদা জিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করে তাদের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা দিবেন।
এরপর আবার কক্সবাজার সার্কিট হাউজে বিশ্রাম শেষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবেন খালেদা জিয়া। সেখানে রাত্রিযাপন শেষে পরদিন মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে যথারীতি ফেনী হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিবেন তিনি।
সফর শুরুর আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের জানান, আইজিপি বিএনপি চেয়ারপারসনের সফরের সার্বিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছেন। আশা করছি, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হবে না।
উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অভিযানের ঘোষণা দিয়ে আগে থেকেই রাখাইনের রোহিঙ্গা গ্রামগুলো অবরুদ্ধ করে রাখে। এরই মধ্যে রোহিঙ্গা যোদ্ধারা অন্তত ২৫টি পুলিশ পোস্ট ও একটি সেনা ক্যাম্পে গত ২৪ আগস্ট মধ্যরাতের পরে প্রবেশের চেষ্টা করলে শুরু হয় সংঘর্ষ।
ওইদিনের পর থেকে রোহিঙ্গাদের ওপর নেমে আসে অমানবিক নির্যাতন। সেনা অভিযানে এখন পর্যন্ত ৫ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম নিহত হয়েছেন।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর’র হিসাবে, সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে ২৫ আগস্ট থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে ৬ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
গত বছরের অক্টোবরে একই ধরনের ঘটনায় পালিয়ে আসে প্রায় ৮৭ হাজার রোহিঙ্গা। এভাবে কয়েক দশক ধরে শুধুমাত্র বাংলাদেশেই ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে।
জাতিসংঘ বলছে, এখন পর্যন্ত বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুত বেড়ে ওঠা শরণার্থী সংকট হচ্ছে রোহিঙ্গারা। সংস্থাটি মিয়ানমার সেনা বাহিনীর এই নির্মমতাকে ‘গণহত্যা’ ও ‘জাতিগত নিধন’ বলে উল্লেখ করেছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ কক্সবাজার গিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করে তাদের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করেন।
তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিনে এরদোয়ান, জর্ডানের রানী রানিয়া আল আব্দুল্লাহ ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরা রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেছেন।
Related News
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল এনসিপি
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘিরে নিজেদের মেয়র প্রার্থীRead More
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে নিজেদের মেয়র প্রার্থীরRead More



Comments are Closed