ডোমারে সবজি ও মাছের দাম কমেছে
মোঃ রিমন চৌধুরী, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি : নীলফামারীর ডোমারের খুচরা ও পাইকারী বাজারে সবজি ও মাছের দাম কমেছে। তবে বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। বুধবার (১৮ অক্টোবর) সকালে ডোমার বাজারের কিচেন মার্কেট, বড় বাজার, সাহেব বাজার ও মাধার মোড় কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে এক কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।
ডোমার বাজারের কিচেন মার্কেটের সবজি বিক্রেতা মোঃ আজিজ্জার রহমান বলেন, ‘বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে আগাম সবজি উঠতে শুরু করেছে।
তবে কাঁচা মরিচের উৎপাদন বন্যার পানিতে ব্যাহত হওয়ায় দাম বেড়েছে। আর যেটুকু ভারত থেকে আসছে তা পর্যাপ্ত নয়।’
সাংগাঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ডোমার পৌর শাখার মোঃ আসাদুজ্জামান রাসেল বলেন, ‘বন্যার ক্ষতির কারনে অন্য সবজির দাম কিছুটা কম থাকলেও কাঁচা মরিচের দাম খুব চড়া।’
ডোমার বাজারে প্রতি কেজি শসা ৩৪ টাকা, লম্বা বেগুন ৩০ টাকা, গোল বেগুন ৩৫ টাকা, সিম ৫০ টাকা, জিঙ্গা ৬০ টাকা, মূলা ২৮ টাকা, চিচিঙ্গা ৫৫ টাকা, আলু (দেশি) ২০ টাকা, অন্যান্য আলু ২২ থেকে ২৫ টাকা, গাজর ৪৮ টাকা, করলা ৪০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ টাকা, কচুর লতি ৩০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা ও মটর শুটি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়াও মাঝারি আকৃতির ফুল কপি প্রতি কেজি ৫০ টাকা, পাতা কপি প্রতি কেজি ৪৫ টাকা, প্রতি পিস লাউ ৩০ টাকা, জালি কুমড়া ৪০ টাকা, প্রতি হালি কাঁচাকলা ২০-২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে লালশাক, লাউ শাক, পালং শাক, মূলা শাক, কুমড়া শাক ও ডাটা শাকসহ নানা ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা, ধনে পাতা প্রতি ১০০ গ্রাম ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, জেলার বাজারগুলোতে মাছ তুলনামূলকভাবে কম দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে দেশি আইর মাছ প্রতি কেজি ৩০০ টাকা, পাপদা ৫৫০ টাকা, দেশি পুটি ১৬০ টাকা, ইটা মাছ ১৮০ টাকা পাঙ্গাশ ১২০ টাকা, রুই ২৫০ থেকে ২৮০, মৃগেল ১৮০, সরপুটি ১২০, বড় তেলাপিয়া ১০০, মাগুর মাছ ৫০০, শিং ৫২০, কই ৩০০ টাকা, টাকি ১৬০, টেংরা ৪০০ থেকে ৪২০, মলাঢেলা ৩০০ টাকা, গছি মাছ ৪০০ ও সিলভার কার্প ১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়াও বাজারে গরুর মাংস ৪৮০ টাকা, খাসির মাংস ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি ওজনের প্রতিটি দেশি মুরগি ৩২৫ থেকে ৩৬০ টাকা, ব্রয়লার প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১২৫ টাকা, লেয়ার মুরগি প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, হাঁস ৩০০ টাকা, কবুতর ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
নীলফামারী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে উপ-পরিচালক জি এম ইদ্রিস বলেন, ‘সবজি চাষে এবার জেলায় লক্ষ্য মাত্রা ছিল চার হাজার ৫০ হেক্টর জমি। তবে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চাষিরা আগাম জাতের সবজি চাষ করে। এতে ওই লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে চার হাজার হেক্টর জমিতে সবজি চাষ করা হয়েছে।
Related News
পঞ্চগড়ের আকাশে মায়াবী কাঞ্চনজঙ্ঘা, মেঘ সরতেই ধরা দিল হিমালয়ের রূপালি মুকুট
সফিকুল আলম দোলন, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি: অপেক্ষার প্রহর শেষে মেঘের আড়াল ভেদ করে উত্তরের আকাশেRead More
রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, তিনজনের মৃত্যু
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বৈরাগীগঞ্জে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে বাসের ধাক্কায়Read More



Comments are Closed