Main Menu

জৈন্তাপুরে হামলায় গৃহশিক্ষক গুরুতর আহত

বিশেষ সংবাদদাতা : সিলেটের জৈন্তাপুরে পাওনা টাকা চাওয়ায় এক গৃহশিক্ষককে কোপিয়ে গুরুতর আহত করেছে দেনাদার পক্ষ। পরে তাকে মিথ্যে মামলায় গ্রেফতার করিয়ে সিলেট ওসমানী হাসপাতারে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় সোমবার (২৫সেপ্টেম্বর) আদালতে মামলা হলে মামলাটি এফআইআর করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন আদালত। গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে জৈন্তাপুর উপজেলার রামপ্রসাদ পশ্চিম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, জৈন্তাপুর উপজেলার তেলীজুরি গ্রামের রহমত আলীর পুত্র মুক্তার আলী পেশায় একজন গৃহশিক্ষক। উপজেলার বাউরবাগ দক্ষিণ প্রকাশিত খেড়িগোল গ্রামের বজলুর রহমান শামীম এর বাড়িতে গৃহশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। এই সুযোগে বজলুর রহমান ও তার স্ত্রী দিলরুবা আক্তার চৌধুরী রুজি, শিক্ষক মুক্তার আলীর কাছ থেকে টাকা ঋন নিয়ে তা আত্মসাত করেন। এ ঘটনায় মুক্তার আলী বাদী হয়ে আদালতে সিআর ৭৯/১৬ নং একটি মামলা করেন, যা বিচারাধীন। টাকা দিয়ে মামলা ও বিরোধের নিষ্পত্তি করার কথা বলে দিলরুবা আক্তার রুজি মুক্তার আলীকে তার পিত্রালয় রামপ্রসাদ পশ্চিম গ্রামের বাড়িতে যেতে বলেন। ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ৯টায় মুক্তার আলী দিলরুবা আক্তারের পিত্রালয়ে গেলে তার উপর আকস্মিক হামলে পড়ে দিলরুবা ও তার স্বামীসহ তাদের সহযোগীরা। তারা গৃহশিক্ষক মুক্তার আলীতে কোপিয়ে ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে একটি মিথ্যে মামলা সাজিয়ে গ্রেফতার করিয়ে জৈন্তাপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে তাকে ওসমানী হাসপাতারে ভর্তি করায়। এ ঘটনায় মুক্তার আলীর পিতা রহমত আলী থানায় মামলা করতে গেলে অজ্ঞাতকারনে মামলা নেয়নি পুলিশ। রহমত আলী সোমবার সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ২য় আদালতে ৯জনকে আসামী করে একটি নালিশা মামলা (নং-১১১/১৭) করেন। শুনানী শেষে আদালত মামলাটি দ্রুততর সময়ের মধ্যে এফআইআর করতে জৈন্তাপুর থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন। মামলার আসামীরা হচ্ছেন জৈন্তাপুর উপজেলার বাউরবাগ দক্ষিণ প্রকাশিত খেড়িগোল গ্রামের শাহীন চৌধুরী, রাহিন চৌধুরী ও শাহ আলম ওরফে তোফায়েল চৌধুরী, দিলরুবা আক্তার চৌধুরী রুজি, রামপ্রসাদ পশ্চিম গ্রামের শফিউল আলম চৌধুরী ডালিম, আজাদুর রহমান, দৌলা, মোস্তফা কামাল চৌধুরী মাখন ও আখলাকুর রহমান চৌধুরী।
সিলেট জেলা বারের আইনজীবি মো. সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী অ্যাডভোকেট মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Share





Related News

Comments are Closed