Main Menu

সিলেটে নন্দিতা সিনেমা হল ও ছাদী গেষ্ট হাউস দখলের অভিযোগ

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: যুক্তরাজ্য প্রবাসী একজন ব্যবসায়ী দেশে বিনিয়োগ করে মারাত্নক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ রকম অভিযোগ উত্থাপন করেন ব্যবসায়ী বাদশাহ মিয়া লস্কর।
তিনি লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রবাসে থেকেও অন্যান্য প্রবাসীদের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতায় অংশ গ্রহণ করি। প্রবাসীদের টাকা দিয়ে সে সময় যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক সহযোগিতা করা হয়। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে সে সময় লন্ডন থেকে প্রথম ফ্লাইটে আমি ও অন্যান্য প্রবাসীরা দেশে আসি। দেশের প্রতি মমতা ও শ্রদ্ধা থাকার ফলে আমি আমার পরিবার-পরিজনকে বিদেশে রেখে শত বাঁধা উপেক্ষা করে দেশে এসে বিভিন্ন শিল্প ও কলকারখানা গড়ে তুলি।
লস্কর প্রাইভেট লিমিটেড নামক এক কোম্পানীর মাধ্যমে সিলেটের মানুষের সুস্থ নির্মল বিনোদন প্রদানের জন্য নগরীর তালতলায় নন্দিতা ও অবকাশ সিনেমা হল গড়ে তোলেন। সিনেমা হল, আবাসিক হোটেল বিলাস, চন্দ্রিকা মার্কেট ও ছাদী গেস্ট হাউস প্রতিষ্টা করে উক্ত কোম্পানী। যার ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন বশির মিয়া লস্কর।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৯ সালে সিলেট নগরীর তালতলায় কোম্পানীর নামে প্রায় ৫০ ডিসিমেল জায়গা ক্রয় করেন। ১৯৮১ সালে লস্কর প্রাইভেট লিমিটেড নিয়ম অনুযায়ী সেখানে শুরু করেন ব্যবসায়ীক কর্মকান্ড। তখন লস্কর প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন শুকুর মিয়া লস্কর, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মোঃ বাদশাহ মিয়া লস্কর ও শেয়ার হোল্ডার ডাইরেক্টর হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন সুজাদ মিয়া লস্কর। দীর্ঘদিন অনেক সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। ২০০৮ সালে ব্যবসা প্রতিষ্টানের হিসাব-নিকাশ নিয়ে প্রকাশ্যে বিরোধ দেখা দেয় অর্ডিনারী ডাইরেক্টর ধন মিয়ার সাথে। তিনি নন্দিতা সিনেমা হল নিয়ে শুরু করেন নানা ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত। তিনি নন্দিতা হলের ভাড়াটে ঢাকার আজিজ আহমদ পাপ্পুর সাথে এক হয়ে সিনেমা হলটি আত্মসাতের চক্রান্তে মরিয়া হয়ে উঠেন। এখানেই শেষ নয় কোম্পানীর চেয়ারম্যান শুকুর মিয়া লস্কর ২০১২ সালের ১লা জুলাই নন্দিতা সিনেমা হলের পাশে নির্মানাধীন ছাদী গেস্ট হাউস এর ২২টি রুম ২০ বছরের জন্যে লিজ দেন বাদশা মিয়া লস্কর ও ধন মিয়াকে। এরমধ্যে ১৩টি রুম হলো বাদশা মিয়ার ও ৯টি রুম হলো ধন মিয়ার। পরে ২০১৩ সালে আমার ১৩টি রুম ছেলে মোঃ হানিফ লস্কর এর কাছে দুইবারে ৬ বছরের জন্য লিজ দেন বাদশা মিয়া লস্কর। ছেলে লন্ডনে গিয়ে প্রায় ২ বছর গেষ্ট হাউসের ভাড়া সংগ্রহ করে। ২০১৫ সালে মোঃ হানিফ লস্কর মৌখিক ভাবে ধন মিয়া লস্করের কাছে ১৩টি রুম মাসিক ৩৫ হাজার টাকা করে ভাড়া দেন। কিন্তু ৩ মাস ভাড়া পরিশোধ করলেও প্রায় দুই বছর ধরে ভাড়া পরিশোধ করছেন না। এমনকি ছেলে হানিফ লস্কর ভাড়া চাইলে তাকে প্রাণনাশের গুমের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন ধন মিয়া ও তার ছেলে জাকারিয়া এবং সহযোগীরা। এ ঘটনায় কতোয়ালী থানায় নিরাপত্তা চেয়ে ছাদী গেষ্ট হাউসের লিজ গ্রহিতা হানিফ লস্কর একটি সাধারণ ডায়রী করেছেন। যার নং ১১২১। তারিখ ১৪/৮/২০১৭। এ ব্যাপারে তিনি পুলিশ প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

 

 

Share





Related News

Comments are Closed