Main Menu

এমসি কলেজ ছাত্রাবাস খুলে দেওয়ার দাবী শিক্ষার্থীদের

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের জের ধরে ভাংচুরের ঘটনায় মুরারিচাঁদ কলেজ (এমসি কলেজ) ছাত্রাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর অবিলম্বে ছাত্রাবাস খুলে দেয়ার দাবীতে অধক্ষ্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করেছে শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত শিক্ষক মিলনায়তন ও অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এসময় কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা শিক্ষক মিলনায়তনের প্রবেশমুখে তালা দিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।
কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে ছাত্রবাস খুলে দেয়ার দাবীতে মানববন্ধনের আয়োজন করেন। তবে শেষ পর্যন্ত মানববন্ধন হয়নি। শিক্ষার্থীরা কলেজ অধ্যক্ষের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে দাবী আদায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। পরে শিক্ষার্থীরা মিলিত হয়ে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। এসময় ছাত্রবাসের শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে ছাত্রাবাস খুলে দেয়ার জন্য অধ্যক্ষের বরাবরে লিখিত আবেদন জানান।
জানা গেছে, অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে সাধারণ ছাত্রদের সাথে ছাত্রলীগ নেতা হোসাইন আহমদ ও দেলওয়ারসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীও যোগ দিয়েছিল। অধ্যক্ষের কক্ষের সামনে ছাত্রদের অবস্থানের খবর শুনে ছাত্রাবাস ভাঙচুরের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস ও ছাত্রাবাসের তত্বাবধায়ক জামাল উদ্দিন এবং তদন্ত কমিটির সদস্যরা অধ্যক্ষের সাথে আলোচনা করেন। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের বরাবর ছাত্রবাস খুলে দেয়ার জন্য লিখিত আবেদন জমা দেন। পরে ছাত্রলীগ নেতা হোসাইন আহমদ ও দেলওয়ার শিক্ষার্থীদের নিয়ে চলে যান।
এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের তত্বাবধায়ক জামাল উদ্দিন জানান, ছাত্রাবাস ভাঙচুরের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি বর্তমানে কাজ করছে। এ ব্যাপারে অধ্যক্ষের সাথেও আলোচনা হচ্ছে। অধ্যক্ষের কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থানের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা হল খুলে দেয়ার দাবীতে লিখিত আবেদন জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই ছাত্রলীগের দুই পক্ষের আধিপত্যের জের ধরে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এর পরপরই কলেজের অধ্যক্ষ জরুরি সভার আয়োজন করে অনির্দিষ্ট কালের জন্য ছাত্রাবাস বন্ধ ঘোষণা করেন এবং সন্ধ্যা ৬টার ভিতরে ছাত্রদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেন। এ ঘটনার পাঁচ বছর পাঁচ দিন আগে শিবির প্রতিহত করতে গিয়ে ২০১২ সালের ৮ জুলাই ছাত্রলীগ এ ছাত্রাবাসের তিনটি ব্লক আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল।

Share





Related News

Comments are Closed