সিলেটে মামলা দায়েরের দুই মাসেও বন্ধ হয়নি চাঁদাবাজি
বিশেষ সংবাদদাতা : সিলেটে মামলা দায়েরের দুইমাসেও বন্ধ হয়নি চাঁদাবাজি ও স্ট্যান্ডবাজি। অজ্ঞাত কারণে পুলিশ ব্যবস্থা না নেয়ায় ফলে সাধারণ পরিবহন শ্রমিকরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন। গত ২০ মে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় এ মামলা করা হয়।
সিলেট জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজিঃ চট্ট-৭০৭)-এর সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাব উদ্দিন বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উলেখ করে ১০/১২জন অজ্ঞাত আসামী করে এ মামলা {নং৩৪(৫)১৭}করেন । নগরীর কোর্ট পয়েন্ট ও বন্দরবাজারস্থ রংমহল পয়েন্টে চাঁদাবাজি ও স্ট্যা›ডবাজির এ মামলা হয়। মামলার এজাহারভুক্তরা হচ্ছে এসএমপি’র জালালাবাদ টুকেরবাজারের গৌরিপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের পুত্র সালমান আহমদ, একই থানার জাঙ্গাইলের মৃত আব্দুল হাসিমের পুত্র এমাদ, টুকেরগাওয়ের নাছির উদ্দিনের পুত্র তোফায়েল আহমদ, মৃত আব্দুল গণির পুত্র আব্দুল হামিদ, মৃত রুসন আলীর পুত্র মো. সুন্দর আলী, আব্দুল হান্নানের পুত্র হাসনু, কুমারগাঁও এর মৃত ডমাই মিয়ার পুত্র আব্দুর রব, টুকের বাজার মিরের গাও-এর মৃত কুতুব উদ্দিনের পুত্র ইমাম উদ্দিন, পিটারগঞ্জ-এর মৃত সাহেব আলীর পুত্র লিটন আহমদ আরমান, শাহপরাণ থানার টুলটিকর-এর মৃত ছৈদ মিয়ার পুত্র দুলাল মিয়া, মৃত সুনা মিয়ার পুত্র ছাব্বির মিয়া, বোরহানাবাদ কুশিঘাট এলাকার লালু মিয়ার পুত্র আজাদ মিয়া, নোয়াগাও সাদিপুর এলাকার সোনা মিয়ার পুত্র বাবুল মিয়া, ইসলামপুরের মৃত আনফর আলীর পুত্র লায়েক আহমদ, হাজারীবাগ এর মৃত আব্দুল মজিদের পুত্র মো. আব্দুল জব্বার, একই এরাকার হযরত আলীর পুত্র মর্তুজ আলী।
এজাহারে উলেখ করা হয়, সিলেট জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক শ্রমিক সংগঠন। এ সংগঠন অটোরিক্সা সিএনজি শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করে। শ্রমিকদের দাবী দাওয়া পূরণে এ ইউনিয়ন বদ্ধপরিকর। এ সংগঠন পরিচালনার জন্য সংগঠনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক বিভিন্ন শাখা পয়েন্টে উপ-পরিষদ গঠন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নগরীর কোর্ট পয়েন্ট ও বন্দরবাজারস্থ রংমহল পয়েন্টে সঙগঠনের একটি উপপরিষদ রয়েছে। মামলায় এজাহারভুক্ত আসামীগণ সাধারণ শ্রমিকদের জিম্মি করে এসব স্ট্যান্ডে চাঁদা আদায় করছে। চাঁদা না দিলে শ্রমিকদের উপর নানাভাবে হয়রাণী ও নির্যাতন করে তারা। গত প্রায় ১৮ মাস ধরে আসামীরা শ্রমিকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে চলেছে । চাঁদা প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করায় গত ১০ মে বেলা ১১টায় কোর্ট পয়েন্ট ও রংমহল টাওয়ার সংলগ্ন স্থানে দেশী অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা। এ ঘটনায় ২০ মে মামলা হলেও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে পারেনি পুলিশ।
অভিযোগ পাওয়া গেছে কোতোয়ালি পুলিশের সাথে গভীর সখ্যতা থাকায় চাঁদাবাজরা গ্রেফতার এড়িয়ে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে।
সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি গৌছুল হোসেন জানান, সিলেটে পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে গ্রæপিং সমস্যা রয়েছে। দুপক্ষে পাল্টাপাল্টি মামলায় তারা জামিনে রয়েছেন এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে।
Related News
শাহজালাল মাজারের দানের টাকা গণনা হবে প্রতিদিন, ৬৫ শতাংশ পাবে মাজার কর্তৃপক্ষ
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানের টাকা নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটেছে।Read More
সিলেটে পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) লঙ্ঘনের দায়ে সিলেটের ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে মোটRead More



Comments are Closed