সাবেক প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমান আর নেই
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বিচারপতি লতিফুর রহমান মারা গেছেন।
আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর সমরিতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।
হাইকোর্টের অতিরিক্ত রেজিস্টার (প্রশাসন ও বিচার) মো. সাব্বির ফয়েজ সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, বিচারপতি লতিফুর রহমান নিউমোনিয়াসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। হঠাৎ করে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
লতিফুরের মৃত্যুতে তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শোক প্রকাশ করেছেন।
১৯৩৬ সালের ১ মার্চ যশোর শহরে জন্মগ্রহণ করেন লতিফুর রহমান। ১৯৬০ সালের ১২ মার্চ তিনি ঢাকা হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হন।
১৯৭৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বিভাগে অস্থায়ী বিচারপতি হিসেবে এবং ১৯৮১ সালের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন। ১৯৯০ সালের ১৫ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
২০০০ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশের দশম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন লতিফুর রহমান। প্রধান বিচারপতি পদ থেকে অবসর নেন ২০০১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ঐ বছরের ১৫ জুলাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন।
প্রসঙ্গত, তার নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনের নির্বাচনে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট নিরঙ্কুস সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসীন হয়।
জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১ অক্টোবর ২০০১ সালে এবং লতিফুর রহমান ১০ অক্টোবর নতুন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।
প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব হস্তান্তরের পর বিচারপতি লতিফুর রহমান তার উপদেষ্টা থাকাকালীন অভিজ্ঞতা নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দিনগুলি ও আমার কথা নামের একটি বই লিখেন।
Related News
প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। মঙ্গলবারRead More
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল এনসিপি
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘিরে নিজেদের মেয়র প্রার্থীRead More



Comments are Closed