Main Menu

বর্তমান প্রযু্ক্তিতেই মিলবে ভিনগ্রহীদের সন্ধান

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর বাইরে অনন্ত নক্ষত্রবীথিতে কোথাও প্রাণের অস্তিত্ত্ব রয়েছে কিনা তা নিয়ে মানুষের মাঝে আগ্রহের শেষ নেই। অতীতেও বিভিন্ন সভ্যতা তাদের আবিস্কৃত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন। বর্তমান তথ্য প্রযু্ক্তির যুগেও মহাকাশে প্রাণের খোঁজে হচ্ছে গবেষণা। চলছে নানা অভিযান।

শত শত আলোক বর্ষ দূরের সৌরজগতে পৃথিবীর মতো গ্রহের সন্ধানে কাজে লাগানো হচ্ছে নানা দূরবীক্ষণ যন্ত্র। যার মধ্যে বর্তমানে বেশ কার্যকর আইআর টেলিস্কোপ (infrared telescope)। অবশ্য এখনও দূর মহাকাশে প্রাণের কোনো সম্ভাবনা পাননি বিজ্ঞানীরা।

তারা বলছেন, হয় দূর নক্ষত্রমণ্ডলে থাকা প্রাণীদের সঙ্গে যোগাযোগের সক্ষমতা এখনও আমরা অর্জন করতে পারিনি। অথবা এই মহাকাশে একমাত্র আমরাই বেঁচে রয়েছি।

তবে বিজ্ঞানীদের কেউ কেউ এই দাবি মানতে নারাজ। তারা বলছেন, আমাদের বর্তমান প্রযুক্তি ব্যবহার করেই ভিনগ্রহীদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব। আসলে আমরা সঠিকভাবে তা ব্যবহার করতে পারছি না।

বিজ্ঞানীদের মতে, আইআর টেলিস্কোপের মাধ্যমে লাখ লাখ মাইল দূরে থাকা সৌরজগতে পৃথিবী সাদৃশ্য সেসব গ্রহের সন্ধান আমরা ঠিক পাচ্ছি। সমস্যা হচ্ছে সে সব স্থানে পৌঁছানোর সক্ষমতা আমরা অর্জন করতে পারিনি। কিন্তু তাদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য যে রেডিও টেলিস্কোপ থাকা দরকার তা আমাদের আছে।

জর্জিয়ার তিবলিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক যাজা ওসমানোভ’এর মতে, হয়তো তারা একাধিকবার যোগাযোগও করেছে। কিন্তু সেই সংকেত বোঝার ক্ষমতা আমাদের এখনও হয়নি। এই বিজ্ঞানীর দাবি, আইআর টেলিস্কোপ ৬৫২ আলোকবর্ষ দূরত্বে থাকা সৌরজগতের কাঠামো আমাদের সামনে তুলে ধরছে। কিন্তু সে সব গ্রহ নক্ষত্রকে নিয়ে গবেষণা সম্পূর্ণ করা যাচ্ছে না। কেননা, সেই দূরত্ব অতিক্রমের সক্ষমতা এখনও আমাদের অর্জন হয়নি।

প্রকৃতি বিজ্ঞানী ফ্রিম্যান ডেসন ১৯৬০ সালে দাবি করেছিলেন, দূর মহাবিশ্বে উন্নত প্রাণীরা থাকতে পারে। তারা হয়তো মহাকাশে বিশাল বিশাল স্থাপনাও নির্মাণ করেছে। কিন্তু সেসব নিদর্শন দেখতে হলে এবং সে সম্পর্কে জানতে কোনো উদ্যোগ আমরা নিচ্ছি না। এরফলে ভিনগ্রহের উন্নত সভ্যতার তুলনায় ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছি আমরা।

Share





Related News

Comments are Closed