Main Menu

বিশ্বনাথে ২১ দিনেও উদঘাটন হয়নি হত্যার রহস্য

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের আশুগনজবাজার এলাকায় অজ্ঞাতনামা মহিলা হত্যা মামলার রহস্য ২১দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি থানা পুলিশ। গত ২২ এপ্রিল পুলিশ এই মহিলার লাশ উদ্ধার করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মহিলার ব্যানেটি ব্যাগে রক্ষীত ২জন যুবকের ছবি পেয়ে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। ঘটনার দিন প্রচুর বৃষ্টিপাত হলেও ছবি দুটি টিসু দিয়ে মুড়িয়ে পলিথিনের বেগে রেখে ব্যানেটি ব্যাগটি লাশের বুকের উপর রেখে যায়। সব কিছু ভিজে গেলেও ছবি দুটিতে বৃষ্টির পানি লাগেনি।
পুলিশ এ ছবির সুত্র ধরে রামচন্দ্রপুর গ্রামের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মরহুম মুসলিম আলীর পুত্র যুবলীগ কর্মি ইমরান আহমদ (২৬) কে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ ইমরানকে ২২ এপ্রিল গ্রেপ্তার করলেও ২দিন আদালতের অনুমতি ছাড়া থানা হেফাজতে রেখে আদালতে চালান দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। আদালতে যাওয়ার পর তার আত্বীয়-স্বজন তার শরীরে গুরুতর জখম দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এদিন তদন্তকারী কর্মকর্তা কামাল আহমদ আাদলতে ইমরানের ৭দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।
এদিকে আইনজিবিদেন মাধ্যমে আদালতে ইমরান অভিযোগ করেন তাকে ২২এপ্রিল সন্ধা ৭টায় বিশ্বনাথ থানা সদরে থানার পাশেই আল-মক্কা রেষ্টুরেন্টে চা পান করার সময় যুবলীগের অনেক কর্মির সামন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় পুলিশ।
২৩ এপ্রিল সকাল ৯টায় তার বোনসহ আতœীয়-স্বজন থানায় গেলে তাকে মারাত্বক জখমি অবস্থায় দেখতে পায়। আদালতের অভিযোগে বলা হয় ইমরানকে ইলেক্ট্রিক শর্ট ও শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে মুমুর্ষ অবস্থায় উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয। কিন্তু ইমরানকে আদালতে প্রেরনের ফরয়াডিং-এ চিকিৎসার কথা উল্লেখ না থাকায় পরবর্তীতে আরেকটি ফরয়াডিং পাঠানো হয়। ইতিমধ্যে আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে ইমরানের চিকিৎসা করানো হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে আদালতে এনিয়ে শুনানী হতে পারে।
এদিকে ইমরানের মা আচারুন বিবি বাংলাদেশ মানবাধীকার সংস্থা বরাবরে এক আবেদনে তার পুত্র ইমরানকে পুলিশ কর্মকর্তা দোষ স্বীকার করাতে অমানুষিক নির্যাতনের প্রতিকার চেয়ে এক আবেদন করেছেন। সংস্থাটি পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ অজ্ঞাতনামা এই মহিলার সাথে কেউ খারাপ কাজ করলে কিংবা হত্যার সাথে জড়িত থাকলে এভাবে ব্যানেটি ব্যাগে ছবি রেখে যেত না। বিষয়টি নিরপক্ষ তদন্ত না করলে নিরিহ মানুষ হয়রানির শিকার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed