ওসমানীতে কাটা হাত জোড়া লাগিয়ে প্রথম বারেই সফল
বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথমবারের মতো কাটা হাত জোড়া লাগিয়েছে ওই হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ।
সম্প্রতি প্রায় ৫ ঘন্টা সফল অপারেশনের পর তারা জহুরা বেগম (৩৮) নামের এক মহিলা শ্রমিকের কাটা হাত জোড়া লাগাতে সক্ষম হন। মহিলাটি বর্তমানে হাসপাতালের ১৭ নম্বর অর্থোপেডিক্স সার্জারি ওয়ার্ডের ৬নং সিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সিলেটের জাফলং-এর ক্রাশার জোন এলাকার উত্তরা স্টোন ক্রাশারে শ্রমিকের কাজ করেন জহুরা। জহুরা জানান, প্রতিদিনের ন্যায় গত ১৮ এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে দুই মেয়ে শেফা ও তামান্নাকে নিয়ে ওই স্টোন ক্রাশারে কাজে যান তিনি।
সকাল ৯টার দিকে পাথর ভাঙ্গার বেল্টে আটকে যায় একটি পাথর। এই পাথর অপসারণ করতে গিয়ে বেল্টে আটকে যায় জহুরার হাত। মুহূর্তেই তার ডান হাতের কনুইয়ের নিচ হতে পুরো অংশ (মিড ফোর্ড আর্ম লেভেল) কেটে যায়। তাকে আনা হয় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এরপর অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসকরা কয়েক ঘন্টার সফল অপারেশন চালিয়ে তার হাত জোড়া লাগাতে সক্ষম হয়।
সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক ডা: হাসিব রহমান এবং একই বিভাগের স্টেশালিস্ট সার্জন ডাঃ মো: আব্দুল মান্নান এর নেতৃত্বে ৫ ঘন্টাব্যাপী তাকে অস্ত্রোপচার করা হয়। তাদের সহায়তা করেন ডাঃ সুবল, ডাঃ ইকবাল, ডাঃ আব্দুল লতিফ, ডা: আনিস, ডা: টিপু, ডা: মনিস, পাখি ও সুরভি। অ্যানেস্থেশিওলোজিস্ট ছিলেন ডাঃ মিঠু। অপারেশনের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া হাতের হাড় পুনঃসংগযোগ ও স্নায়ু-রক্তনালিকার পুনঃসংযোগ (নিউরোভাসকুলার এনাস্টোমোসিস) করা হয়। পাশাপাশি রক্তনালিকায় রক্ত প্রবাহ নিশ্চিত করে তারা আরেকটি সফল অপারেশন শেষ করেন।
হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক ডা: হাসিব রহমান জানান, হাত প্রতিস্থাপনে হাসপাতালের মাল্টি ডিসিপ্লিনারী টিম কাজ করেছে। প্লাস্টিক সার্জারীর পাশাপাশি অ্যানেসথেশিস্ট, অর্থোপেডিক্স এবং ফিজিওথেরাপী বিভাগের সংশ্লিষ্টরাও অংশ নেন। তিনি জানান, অপারেশনের পর রোগীর ব্ল্যাড সার্কুলেশন ভালো। তার অবস্থা এখন উন্নতির দিকে। তাকে আরো দুই সপ্তাহ অবজারভেশনে রাখা হবে বলে জানান তিনি।
জহুরার স্বামী কদর আলী জানান, স্ত্রীর হাত কেটে যাবার পর তিনি এবং ওই স্টোন ক্রাশারের ম্যানেজার শফিক দুটি গামছা দিয়ে হাত বেঁধে জহুরাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি জানান, ওসমানী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণেই তার স্ত্রী এখন সুস্থতার দিকে। হাসপাতাল থেকে তাদেরকে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্টোন ক্রাশার মালিক ও তার স্ত্রী তাদের পরিবারের প্রতি সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছেন। কদর আলীর মূল বাড়ি হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার তাতারি মহল্লা গ্রামে। গত দ্ইু বছর ধরে তারা জাফলংয়ের একটি বস্তিতে ভাড়াটে হিসাবে বসবাস করছেন।
ওসমানীতে কাটা হাত জোড়া লাগিয়ে প্রথম বারেই সফল
সিলেট অফিস: সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথমবারের মতো কাটা হাত জোড়া লাগিয়েছে ওই হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ।
সম্প্রতি প্রায় ৫ ঘন্টা সফল অপারেশনের পর তারা জহুরা বেগম (৩৮) নামের এক মহিলা শ্রমিকের কাটা হাত জোড়া লাগাতে সক্ষম হন। মহিলাটি বর্তমানে হাসপাতালের ১৭ নম্বর অর্থোপেডিক্স সার্জারি ওয়ার্ডের ৬নং সিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সিলেটের জাফলং-এর ক্রাশার জোন এলাকার উত্তরা স্টোন ক্রাশারে শ্রমিকের কাজ করেন জহুরা। জহুরা জানান, প্রতিদিনের ন্যায় গত ১৮ এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে দুই মেয়ে শেফা ও তামান্নাকে নিয়ে ওই স্টোন ক্রাশারে কাজে যান তিনি।
সকাল ৯টার দিকে পাথর ভাঙ্গার বেল্টে আটকে যায় একটি পাথর। এই পাথর অপসারণ করতে গিয়ে বেল্টে আটকে যায় জহুরার হাত। মুহূর্তেই তার ডান হাতের কনুইয়ের নিচ হতে পুরো অংশ (মিড ফোর্ড আর্ম লেভেল) কেটে যায়। তাকে আনা হয় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এরপর অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসকরা কয়েক ঘন্টার সফল অপারেশন চালিয়ে তার হাত জোড়া লাগাতে সক্ষম হয়।
সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক ডা: হাসিব রহমান এবং একই বিভাগের স্টেশালিস্ট সার্জন ডাঃ মো: আব্দুল মান্নান এর নেতৃত্বে ৫ ঘন্টাব্যাপী তাকে অস্ত্রোপচার করা হয়। তাদের সহায়তা করেন ডাঃ সুবল, ডাঃ ইকবাল, ডাঃ আব্দুল লতিফ, ডা: আনিস, ডা: টিপু, ডা: মনিস, পাখি ও সুরভি। অ্যানেস্থেশিওলোজিস্ট ছিলেন ডাঃ মিঠু। অপারেশনের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া হাতের হাড় পুনঃসংগযোগ ও স্নায়ু-রক্তনালিকার পুনঃসংযোগ (নিউরোভাসকুলার এনাস্টোমোসিস) করা হয়। পাশাপাশি রক্তনালিকায় রক্ত প্রবাহ নিশ্চিত করে তারা আরেকটি সফল অপারেশন শেষ করেন।
হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক ডা: হাসিব রহমান জানান, হাত প্রতিস্থাপনে হাসপাতালের মাল্টি ডিসিপ্লিনারী টিম কাজ করেছে। প্লাস্টিক সার্জারীর পাশাপাশি অ্যানেসথেশিস্ট, অর্থোপেডিক্স এবং ফিজিওথেরাপী বিভাগের সংশ্লিষ্টরাও অংশ নেন। তিনি জানান, অপারেশনের পর রোগীর ব্ল্যাড সার্কুলেশন ভালো। তার অবস্থা এখন উন্নতির দিকে। তাকে আরো দুই সপ্তাহ অবজারভেশনে রাখা হবে বলে জানান তিনি।
জহুরার স্বামী কদর আলী জানান, স্ত্রীর হাত কেটে যাবার পর তিনি এবং ওই স্টোন ক্রাশারের ম্যানেজার শফিক দুটি গামছা দিয়ে হাত বেঁধে জহুরাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি জানান, ওসমানী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণেই তার স্ত্রী এখন সুস্থতার দিকে। হাসপাতাল থেকে তাদেরকে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্টোন ক্রাশার মালিক ও তার স্ত্রী তাদের পরিবারের প্রতি সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছেন। কদর আলীর মূল বাড়ি হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার তাতারি মহল্লা গ্রামে। গত দ্ইু বছর ধরে তারা জাফলংয়ের একটি বস্তিতে ভাড়াটে হিসাবে বসবাস করছেন।
Related News
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ১শিশুর মৃত্যু
Manual6 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘন্টায় হাসপাতালে ভর্তিRead More
হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
Manual2 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায়Read More



Comments are Closed