Main Menu

হজ নিবন্ধন ২৮ মার্চ থেকে

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : প্রাক-নিবন্ধনকারী হজযাত্রীদের চলতি বছর হজে যেতে নিবন্ধনের জন্য তিনদিনের সময় বেঁধে দিয়েছে সরকার। সরকারি ও বেসরকারি হজযাত্রীদের আগামী ২৮ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত হজ নিবন্ধনের সময় বেঁধে দিয়ে বুধবার দুটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। বেসরকারি প্রাক-নিবন্ধনের সিরিয়াল নম্বর ২ লাখ ১৭ হাজার ২৮৮ পর্যন্ত চলতি বছরের নিবন্ধনের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
সৌদি সরকারের নিয়ামানুযায়ী, হজে যেতে নির্দিষ্ট সার্ভারের মাধ্যমে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হয়। তবে এই নিবন্ধনের আগে বাংলাদেশে বছর জুড়েই প্রাক-নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু থাকে। ২২ মার্চ বিকাল ৫টা পর্যন্ত এক লাখ ৮৮ হাজার ৪৬৭ জন হজযাত্রী প্রাক-নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে গত বছরের ৩৭ হাজার ৪৩৯ জন প্রাক-নিবন্ধিত হজযাত্রী রয়েছেন (এরা প্রাক-নিবন্ধন করেও নির্ধারিত কোটার কারণে হজে যেতে পারেননি)। ২২ মার্চ বিকাল পর্যন্ত বেসরকারি প্রাক-নিবন্ধনের ক্রমিক সংখ্যা পৌঁছেছে ২ লাখ ৯২ হাজার ৪২৩-তে।
এবার সরকারি ও বেসরকারিভাবে হজে যেতে প্যাকেজ-১ এ তিন লাখ ৮১ হাজার ৫০৮ টাকা এবং প্যাকেজ-২ এ তিন লাখ ১৯ হাজার ৩৫৫ টাকা খরচ হবে। গত ১৫ জানুয়ারি থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার প্রাক-নিবন্ধন শুরু হয়।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যেতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ১৭ হাজার ১৯৮ জন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এবার বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের মধ্যে ২ হাজার ৬০৪ জন হজ গাইড এবং হজ ব্যবস্থাপনার জন্য হজ এজেন্সির ৮৫০ জন সৌদি যাবেন। বাকি এক লাখ ১৩ হাজার ৭৪৪টি খালি কোটা পূরণের জন্য প্রাক-নিবন্ধনের সিরিয়াল ২ লাখ ১৭ হাজার ২৮৮ পর্যন্ত চলতি বছরের নিবন্ধনের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। “সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সি তাদের ব্যাংক হিসাবে নিবন্ধন ভাউচারের মাধ্যমে বিমান ভাড়া বাবদ এক লাখ ২৪ হাজার ৭২৩ টাকা জমা দেবে। হজ এজেন্সি টিকেটের টাকা অন্য কোনো কাজে উত্তোলন করতে পারবে না।”
নিবন্ধন কার্যক্রমে নির্বাচিত ব্যাংকগুলো সরকার নির্ধারিত অর্থ প্রাপ্তি নিশ্চিত করে হজযাত্রীদের নিবন্ধন করবে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যারা নিবন্ধনের টাকা জমা দিতে ব্যর্থ হবেন, তাদের ক্ষেত্রে কোটা পূরণের জন্য জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি অনুসরণ করা হবে। সরকার নির্ধারিত সিরিয়ালের বাইরে কারো কাছ থেকে হজ প্যাকেজের অর্থ নেওয়া যাবে না।
সিরিয়ালের (২,১৭,২৮৮) সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো হজ এজেন্সি ন্যূনতম ১৫০ জন হজযাত্রীর কোটা পূরণ করতে না পারলে আগামী ২৮ মার্চের মধ্যে তাদের লিড এজেন্সি (অন্য হজ এজেন্সির সঙ্গে মিলে ১৫০ জনের কোটা পূরণ, এক্ষেত্রে লিড এজেন্সির নামই সৌদিতে পাঠানো হবে) নির্ধারণ করতে হবে।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধিত হজযাত্রীদের নির্বাচিত প্যাকেজের অবশিষ্ট অর্থ সোনালী ব্যাংকের যে কোনো শাখায় জমা দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। নিবন্ধনের জন্য ২০১৭ সালের হজ প্যাকেজ-১ এর সরকারি হজযাত্রীদের বাকি তিন লাখ ৫৩ হাজার ৫০৮ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ এর হজযাত্রীদের বাকি ২ লাখ ৯১ হাজার টাকা জমা দিতে হবে।

Share





Related News

Comments are Closed