Main Menu

বিশ্বনাথে মসজিদের ইমাম নিয়ে বিপাকে গ্রামবাসী

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে মসজিদের এক বিদায়ী ইমামের আদালতে দায়ের করা অভিযোগ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গ্রামবাসী। ওই ইমাম সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার যুগলনগর গ্রামের হাজী আশক আলীর পুত্র মইন উদ্দিন। তিনি বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের কড়পাড়া গ্রামের মসজিদে প্রায় ৫বছর ইমামতি করার পর তার অসৎ আচরণের কারণে পঞ্চায়েতের সিদ্ধান্তে তাকে বিদায় করা হয় বলে গ্রামবাসি জানান।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে গ্রায় ৬ মাস পূর্বে তাকে মসজিদের ইমামতি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। কিন্তু ইমাম গ্রামবাসীর আপত্তি উপেক্ষা করে তার অসৎ উদ্দেশ্যে গ্রাম ছাড়তে নারাজ। গ্রামবাসীর নিষেধ অমান্য করে সৌদি-আরব প্রবাসী ফেরদৌস মিয়া’র বাড়িতে তার স্ত্রীকে কৌশলে হাত করে বসবাস করে আসছেন। তাকে ওই বাড়ি ছাড়তে চাপ সৃষ্টি করলে ইমাম ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২ মার্চ সিলেট আদালতে একটি মিথ্যা মারামারির অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে প্রবাসীর পিতা আরজুমন্দ আলী ও চাচা মছদ্দর আলীসহ গ্রামের ৬ জনকে আসামি করা হয়। এনিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ আর অসন্তেুাষ বিরাজ করছে। পাশাপাশি ওই ইমাম প্রবাসীর স্ত্রীকে হাত করে যেকোনো ধরণের অঘটন ঘটিয়ে গ্রামবাসীকে ফাঁসিয়ে দিতে পারে বলে আশংকা করছেন গ্রামের লোকজন।
গত শনিবার বিকেলে আদালতে দায়েরকৃত অভিযোগটি তদন্ত করতে ওই গ্রামে যান বিশ্বনাথ থানার এসআই রফিকুল ইসলাম। এসময় গ্রামের বয়-বৃদ্ধসহ প্রায় শতাধিক লোকজন ভিড় জমান। ইমামের ওপর মারপিটের কথাটি গ্রামবাসী পুলিশের কাছে মিথ্যা ও সম্পপূর্ণ সাজানো বলে দাবি করেন।
প্রবাসীর পিতা আরজুমন্দ আলী বলেন- ইমামকে বার বার বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলার পরও তার অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য যায়নি। উল্টো আমাকে আর আমার ভাইকে মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করেছে।
প্রবাসীর স্ত্রী ফারহানা বেগম সেফা গ্রামবাসীর অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, ওই ইমামকে তার স্বামী ও শ্বাশুরির সম্মতিতে সন্তানদের পড়া-লেখার স্বার্থে বাড়িতে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ওই ইমাম তাকে ধর্মীয় মা বলে ডাকেন বলে তিনি দাবি করেন।
অভিযুক্ত ইমাম তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, প্রবাসী ফেরদৌস মিয়ার ইচ্ছা ও অনুমতিতে তার সন্তানদের পড়া-লেখা শেখাতে ওই বাড়িতে তিনি রয়েছেন বলে জানান।

Share





Related News

Comments are Closed