Main Menu

সিলেটে শিশু হত্যার দায়ে একজনের যাবজ্জীবন

Manual8 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটের গোলাপগঞ্জে শিশুকে হত্যা করে লাশ গুম করার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত শিশুর মাকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় দেন।
দন্ডপ্রাপ্ত আসামীর নাম- সাইফুল আলম ওরফে বেলাল (৩২)। সে গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাদেপাশা গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। খালাস প্রাপ্ত একই এলাকার আছাব আলী ওরফে ইছাহাকের স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৩৮)।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ৫মে বিকেল ৫টার দিকে সাইফুল আলম বাদেপাশা রাস্তায় খেলাধুলা করার সময় সায়মাকে (৬) স্থানীয় হাফিজিয়া এবতেদায়ী মাদ্রাসার পিছনে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে সায়মাকে শ্বাসরুদ্ধে হত্যা করে স্থানীয় আজির উদ্দিনের বাড়ির পায়খানার ট্যাংকির মধ্যে ফেলে লাশ গুম করার চেষ্টা চালায়। ওইদিন সন্ধ্যায় সায়মাকে খোঁজাখুজি করে তার সন্ধান পায়নি পরিবার। এক পর্যায় স্থানীয় কয়েকজন লোক সাইফুল আলমকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তখন সে সায়মাকে হত্যার পুরো বিষয়টি স্বীকার করে। পরে পুলিশ স্থানীয় আজির উদ্দিনের বাড়ির পায়খানার ট্যাংকির মধ্য থেকে সায়মার লাশ উদ্ধার করে এবং সাইফুল আলম ওরফে বেলালকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আছাব আলী ওরফে ইছাহাক বাদী হয়ে ঘাতক সাইফুল আলম ওরফে বেলাল ও রাবেয়া বেগমকে আসামী করে গোলাপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। নং- ৪ (৬-০৫-২০০৬)।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০০৬ সালের ২৭ জুলাই গোলাপগঞ্জ থানার এস আই মামুন অর রশিদ সাইফুল ও রাবেয়া বেগমকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন এবং ২০০৭ সালের ১৫ ফেব্রয়ারী থেকে আদালতে মামলাটির বিচার কার্য্য শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানী ও ১২জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামী সাইফুল আলম ওরফে বেলালকে ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও আসামী রাবেয়া বেগমকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে এপিপি এডভোকেট বেলাল উদ্দিন ও আসামীপক্ষে এডভোকেট মোচ্ছাম্মৎ আছমা বেগম ও এডভোকেট আয়শা বেগম মামলাটি পরিচালনা করেন।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code