Main Menu

সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে পনের ছাত্রনেতা

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক ও বর্তমান পনের জন ছাত্রনেতা। এদের মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের ৯জন, বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের রয়েছেন চারজন ও ছাত্রসমাজের দু’জন। বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বি এই ছাত্রনেতাদের নিয়ে জনপ্রতিনিধি ভোটার এবং সাধারণ মানুষের মাঝে কৌতুহল দিন দিন বাড়ছে। প্রার্থীদের পাশাশি ভোট প্রার্থণা, গণসংযোগ-প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন তাদের সমর্থক, শুভাকাঙ্খিরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকেও নিজদলীয় প্রার্থীদের ছবি ও প্রতিকসহ রঙিন পোস্টার আপ-লোড করে ভোট এবং সহযোগিতা প্রার্থণায় সরব রয়েছেন তারা। আর নির্বাচনে ছাত্রনেতাদের অংশ গ্রহণকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল।

সিলেট জেলা পরিষদের সাধারণ ওয়ার্ড রয়েছে ১৫টি। এই ১৫টি ওয়ার্ডে সদস্য প্রার্থী হয়েছেন ১০৫জন। এদের মধ্যে সাবেক ও বর্তমান ছাত্র নেতা রয়েছেন ১৫জন।

সর্বাধিক পাঁচজন ছাত্রনেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডে। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের সবাই ক্ষমাসীন দলের। তারা হলেন মদনমোহন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এটিএম এ হাসান জেবুল (বক প্রতীক), সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি মোহাম্মদ আবদুল হানিফ কুটু (বেহালা), সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতা ও সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ফারুক আহমদ (উটপাখি), সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রজতকান্তি গুপ্ত (ঘুড়ি)ও মোহাম্মদ বিলাল খাঁন (ক্রিকেট ব্যাট।

২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সহ সভাপতি লোকমান আলী উরফে লোকমান আহমদ। তার প্রতীক ক্রিকেট ব্যাট।

৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক দুই ছাত্র নেতা। এদের একজন হচ্ছেন আবদুল আহাদ খান জামাল। তিনি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সভাপতি, সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ও জেলা কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। সাবেক এই ছাত্রনেতা ক্রিকেট ব্যাট প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অপরজন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল। তিনি পেয়েছেন হাতি প্রতিক।

Manual3 Ad Code

৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি পংকজ লাল দাশ পুরকায়স্থ (টিউবওয়েল) ও সাবেক জেলা ছাত্রসমাজ নেতা মো. আশিক মিয়া (অটোরিকশা)।

৯ নম্বর ওয়ার্ডে হাতি প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক দফতর সম্পাদক মো. মইনুল হক।

১০ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক ও ফুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট মো. মামুন আহমদ (রিপন)। তার প্রতিক ঘুড়ি।

Manual4 Ad Code

১১ নম্বর ওয়ার্ডে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ হাছিন আহমদ রিপন (বেহালা)।

১৩ নম্বর ওয়ার্ডে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরী (ঘুড়ি) ও জকিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রসমাজের সাবেক আহবায়ক মো. নাজমুল ইসলাম (ক্রিকেট ব্যাট) নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচনে শিক্ষিত ছাত্রসমাজের অংশগ্রহণকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সিলেট জেলা সুজনের আহবায়ক ফারুক মাহমুদ।

Manual1 Ad Code

তিনি বলেন, নির্বাচনে শিক্ষিত ছাত্রসমাজের অংশগ্রহণ সর্বোচ্চ সমর্থনযোগ্য। তবে দলীয় নমিনেশন না প্রার্থী হলে স্বচ্ছতায় বিশ্বাসী লোকজন নির্বাচনে অংশগ্রহণ সংখ্যায় বেশি থাকতো। সরকারের উচিত ছিল রাজনৈতিক পরিচয়ে এই নির্বাচন না দেওয়া। এছাড়া যারা ভোটার, তারা সরকারেরই লোক। তাই নিরপেক্ষ হিসেবে জনগণের ভোটে নির্বাচন হলে এই নির্বাচনের স্বচ্ছতা আরও বেশি থাকতো, বলেন তিনি।

Manual4 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code