Main Menu

বদরুলের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেটে কলেজ ছাত্রী থাদিজা বেগম নার্গিস হত্যা চেষ্টা মামলায় একমাত্র আসামী ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। রোববার সকাল ১১টায় সিলেট মূখ্য মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
মামলার ৩৬জন সাক্ষীর মধ্যে আজ খাদিজার মা, বাবা, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১৫জনের সাক্ষ্য নেয়া হবে।
এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর ওই মামলার বাদিসহ ১৭জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর আগে গত ৮ নভেম্বর খাদিজা হত্যা চেষ্টা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিলেট নগরীর শাহপরান থানার এসআই হারুনুর রশীদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
প্রসঙ্গত, গত ৩ অক্টোবর সিলেট এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলমের চাপাতির কোপে গুরুতর আহত হন খাদিজা। প্রথমে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর সেখান থেকে ৪ অক্টোবর তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে এনে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়। স্কয়ার হাসপাতালে প্রথম দফায় খাদিজার মাথায় ও পরে হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়। তার অবস্থার একটু উন্নতি হলে লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। এরপর আইসিইউ থেকে এইসডিইউ-তে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে ২৬ অক্টোবর তাকে কেবিনে নেওয়া হয়। এরপর আবারো মাথায় ও হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়। অনেকটা সুস্থ হয়ে ওঠার পর সম্প্রতি স্কয়ার থেকে সিআরপিতে নেওয়া হয় খাদিজাকে। এ ঘটনায় খাদিজার চাচা আবদুল কুদ্দুস বাদী হয়ে বদরুলকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
হামলার দিন ঘটনাস্থল থেকে বদরুল আলম আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে জনতা। আদালতে হামলার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন বদরুল। বদরুলের বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতকে। বদরুল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় ৪ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বহিষ্কার করে। পরে স্থায়ী বহিষ্কার করে। খাদিজার বাড়ি সিলেট সদর উপজেলার হাউসা গ্রামে। তাঁর বাবা মাসুক মিয়া সৌদিপ্রবাসী।

Share





Related News

Comments are Closed