Main Menu

মিসবাহ খুনের দায় স্বীকার করে কবিরের জবানবন্দী

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট কমার্স কলেজ থেকে এইচএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী মিসবাহ উদ্দিন তাহা খুনের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত কবির আহমদ হত্যার দায় স্বীকার করে আদলতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছে। শুক্রবার দুপুরে সিলেটের সিনিয়র মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতের বিচারক মামুনুর রহমান সিদ্দীকির আদালতে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়। জবানবন্দী শেষে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।
এদিকে, কবিরের স্বীকারোক্তির পর শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর হাসান মার্কেট থেকে রানা নামের আরেক আসামীকে আটক করেছে পুলিশ। তার বাড়ি দক্ষিণ সুরমা নৈখাইয়ে। এসএমপি’র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার(গণমাধ্যম) জেদান আল মুসা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্র জানায়, কয়েক মাস পূর্বে বন্ধুত্ব নিয়ে বিরোধের জের ধরে নিহত মিসবাহ উদ্দিন তার বন্ধুদেরকে নিয়ে কবিরের উপর হামলা চালায়। এ হামলার পাল্টা জবাব দিতেই কবির মিসবাহ’র উপর হামলার চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়। গত ২৬ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টায় নগরের জিন্দাবাজারে জিম থেকে ফেরার পথে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কবিরসহ তার ৫ বন্ধু মিলে মিসবাহ’র উপর হামলা চালায়। এ সময় কবির তার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়েই গলায় প্রথম আঘাত করে বলে আদালতকে জানায়। এমনকি ওই ঘটনার সাথে আর কারা জড়িত রয়েছে তাদের নামও আদালতকে জানায় কবির।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) ফয়েজ উদ্দিন ফায়াজ জানান, আদালতে মিসবাহ হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে কবির। এমনকি আদালতে এ ঘটনার সাথে জড়িত আরও ৫ জনের নামও উল্লেখ করে। পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করার জন্য ইতোমধ্যে অভিযান শুরু করেছে। কবির নিজেই প্রথম মিসবাহকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেছে বলে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে।
খুনের ঘটনার ১২ দিন পর বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকার শাহবাগে মৎস্য ভবন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গত ২৬ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টায় নগরের জিন্দাবাজারে জিম থেকে ফেরার পথে প্রকাশ্যে মিসবাহ উদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত মিসবাহ উদ্দিন ছাতক দোয়ারাবাজারের চন্ডিপুর গ্রামের জার্মান প্রবাসী রহমত উল্লাহর ছেলে। এ হত্যার ঘটনায় ২৭ নভেম্বর রাতে নিহতের মা নাজমা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। দায়েরকৃত হত্যা মামলায় মিসবাহ’র বন্ধু কবীর আহমদকে প্রধান আসামি করা হয়।

Share





Related News

Comments are Closed