Main Menu

খাদিজা পুডিং খেয়েছে

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে ছাত্রলীগ নেতার চাপাতির কোপে গুরুতর আহত খাদিজা আক্তার নার্গিসের অবস্থার আরোও উন্নতি হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে পুডিং খাওয়ানো হয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমকে জানান তার বড় ভাই শাহীন আহমেদ।

এর আগে, রোববার বিকেলে বিছানা থেকে তুলে হুইল চেয়ারে বসানো হয় খাদিজাকে।

খাদিজার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তার বড় ভাই বলেন, ‘চিকিৎসার একটা অংশ হিসেবে তাকে পুডিং খাওয়ানো হয়েছে। ডাক্তাররা দেখছেন খাদিজা খেতে পারে কিনা।’

তিনি বলেন, ‘আগের থেকে খাদিজা অনেক সুস্থ। সে এখন আমাদের সবাইকে চিনতে পারছে। আজ (মঙ্গলবার) মাকে দেখতে চেয়েছে। খাদিজার ডান পাশ খুব ভালোভাবে নড়াচড়া করছে। দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে খাদিজার গলায় লাগানো নল খুলে দেবে ডাক্তার। আশা করছি সে তিন দিন পরে কথা বলতে পারবে।’

তার মাকে বুধবার সিলেট থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে চাপাতির কোপে গুরুতর জখম খাদিজার এক হাতে অস্ত্রোপচার সফলভাবে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। অর্থোপেডিক ডাক্তার মেজহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে সোমবার টানা ২ ঘণ্টা খাদিজার ডান হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়।

খাদিজার চিকিৎসক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ জানান, ডান হাতের সামনের অংশে এবং কয়েকটা আঙুলে অস্ত্রোপচার সফলভাবে শেষ হয়েছে। এ ছাড়া তার বাম পায়ে একটি কাটা অংশে সেলাই দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, এই অপারেশনে খাদিজার লাইফ সাপোর্টের প্রয়োজন হয়নি। তবে বাম পাশের সমস্যার কথা এখনই জানানো যাচ্ছে না। এর জন্য আরো সময় প্রয়োজন।

স্কয়ার হাসপাতালের নিউরো সার্জন ডা. রেজাউস সাত্তার বলেন, প্যারালাইসিস বিষয়ে এখন কিছু বলা যাচ্ছে না। আরো দুই থেকে আড়াই মাস পরে এ বিষয়ে জানানো যাবে।

গত ৩ অক্টোবর শাবি ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম এমসি কলেজের পুকুর পাড়ে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজছাত্রী খাদিজাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

ওই ঘটনার পর প্রথমে খাদিজাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ৪ অক্টোবর ভোরে ঢাকায় আনা হয়। ওইদিন দুপুরে স্কয়ার হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকরা তাকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখেন।

Share





Related News

Comments are Closed