Main Menu

সিওমেকে চিকিৎসক লাঞ্চনা, যুবকের কারাদন্ড

বিশেষ প্রতিনিধি: সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউ’তে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) চিকিৎসক লাঞ্চনার ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার ভোর ৪টায় এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে ভ্রাম্যমাণ আদালত তিন মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন। ওই যুবকের নাম মকবুল মিয়া (২২)।
জানা যায়, মকবুলের পিতা আতিকুর রহমান (৫৫) দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। গত ১৬ জুন তিনি এম আই (হার্ট ফেইলিউর) নিয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।
পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে অধিকতর চিকিৎসা সেবার জন্য তাঁকে করোনারি কেয়ার ইউনিট (১৬ নং ওয়ার্ড, সিসিইউ বেড-১) এ নেয়া হয়। শনিবার ভোর ৪টায় হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এসময় সিসিইউতে কর্মরত অবস্থায় ছিলেন মেডিসিন বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. পলাশ চন্দ্র দে এবং ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. আবতাহির রহিম তাহা।
অভিযুক্ত মকবুল মিয়া তাঁর বাবার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে ডা. পলাশ চন্দ্র দে-কে শারীরিক ভাবে লাঞ্চনা করেন। পরে সিসিইউতে কর্মরত সিকিউরিটি গার্ড তাকে ধরে ফেলে। এসময় আশপাশে থাকা অন্যান্য রোগীর আত্মীয়-স্বজন এবং অন্য ওয়ার্ডে দায়িত্বে থাকা ডাক্তার-নার্সরা তাকে হাসপাতালের নীচতলায় অবস্থিত পুলিশ ক্যাম্পে সোপর্দ করেন।
চিকিৎসক লাঞ্চনার প্রতিবাদে কর্তব্যরত সকল চিকিৎসক কর্মবিরতির ঘোষণা দেন এবং অভিযুক্ত মকবুল মিয়ার দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।
এসময় হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত আসেন এবং বিচার প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তকে তিনমাসের কারাদন্ডে দন্ডিত করেন। পরে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাঁদের কর্মসূচী স্থগিত করেন এবং কর্মস্থলে যোগদান করেন।

Share





Related News

Comments are Closed