Main Menu

ব্লু-বার্ড স্কুলে বর্ধিত বেতন প্রত্যাহারের দাবীতে স্মারকলিপি

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ২৪ ডটকম: সিলেট ব্লু-বার্ড স্কুল এন্ড কলেজে দীর্ঘদিন বেতন আটকে রেখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বর্ধিত বেতন বহাল রাখার প্রতিবাদে ৬ জুন সোমবার সকালে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ জেলা প্রশাসক ও ব্লু-বার্ড স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন এর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবজাদ হোসেন আমজদ, মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক বিজিত চৌধুরী, অভিভাবকদের পক্ষে শাখাওয়াত আলী শাহী, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুর রকিব বাবলু, কুমার গণেশ পাল, মোঃ বদরুল হোসেন, নিখিল দে, সফিকুল ইসলাম, বিপুল তালুকদার, অসিত পাল, শংকর বিশ^াস, এডভোকেট বিদ্যুৎ কুমার শি-পিনাকী, এডভোকেট সুশীল বরন সরকার, নিরাপদ দাশ পিংকু প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে- ব্লু-বার্ড স্কুল এন্ড কলেজে প্রি-নার্সারী হতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার ৫ শত ছাত্র/ছাত্রী লেখাপড়া করছে। প্রতিটি ক্লাশে ৪ থেকে ৫টি শাখা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বিগত ২০১৬ইং সনে অযৌক্তিকভাবে সেশন ফি ও জানুয়ারী মাসের বেতন বর্ধিত করেন। যা ছাত্র/ছাত্রীদের অভিভাবক অনেক কষ্টে প্রদান করেছেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদ/ অধ্যক্ষ মহোদয় ছাত্র/ছাত্রীদের অভিভাবকদের কোন প্রকার অবগত না করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়া অযৌক্তিকভাবে ২০১৬ ইংরেজী সনের জানুয়ারী মাস থেকে প্রি-নাসারী ভর্তি ফি- ৯ হাজার ৭ শত ৭৫ টাকা এবং মাসিক বেতন বাড়িয়ে ১ হাজার ৫ শত টাকা করে; কিন্তু বিগত বছরে প্রি-নার্সারীর মাসিক বেতন ছিল ৮ শত টাকা। তদ্রপ প্রতিটি শ্রেণিতে অযৌক্তিকভাবে বেতন বৃদ্ধি করে জানুয়ারী ২০১৬ইং সনে নোটিশ প্রদান করেন। উক্ত নোটিশের প্রেক্ষিতে অভিভাবকগণ জানুয়ারী ২০১৬ইং সনের মাসিক বেতন সহ ভর্তি ফি প্রদান পূর্বক প্রাইম ব্যাংকে সুবিদবাজার শাখায় জমা দিয়ে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি কার্যক্রম শেষ করেন। ইতিমধ্যে সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক অনুযায়ী ফেব্রæয়ারী ২০১৬ ইংরেজী মাস হতে মাসিক বেতন নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। তখন অভিভাবকগণ অধ্যক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত বেতন নেয়া যাবে না। এমতাবস্থায় অভিভাবকগণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত বিগত বছরের ন্যায় বর্তমান ২০১৬ইং সালের শিক্ষার্থীদের বেতন গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে জেলা প্রশাসকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে- আগামী জুলাই মাসে অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষাকে ইস্যু করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোন না আসলেও শ্রেণি শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ক্লাসে বেতন দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন ও বেতন পরিশোধ করে বেতন রসিদ শ্রেণি শিক্ষকের নিকট জমা দেয়ার জন্য এবং বলেন বেতন না পরিশোধ না করলে অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে না। যা শিষ্টচার বহিভর্‚ত এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে ভীতি সঞ্চার করছে। এছাড়াও অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হোসনে আরা যোগদান করার পর হতে অত্র প্রতিষ্ঠানটি ছাত্র/ছাত্রী ও অভিভাবকদের সাথে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে এবং তার অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের কারণে গভর্নিং বডির অনেক সদস্যগণের সাথে বার বার ঝগড়া-ঝাটি সহ দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত অত্র প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব অভিভাবকদের জানা নেই বা সরকারী কোন প্রতিষ্ঠান দ্বারা অডিটও করাননি। স্মারকলিপিতে অভিভাবকগণ পর্যালোচনাপূর্বক বিধি মোতাবেক গত বছরের ন্যায় বেতন গ্রহণ করার এবং গত ৩০/০৫/২০১৬ইং তারিখে অধ্যক্ষ কর্তক ছাত্র/ছাত্রীদের বেতনের নোটিশ স্থগিত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহবান জানন।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code