Main Menu

‘জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে দেশের মানুষ চরম ক্ষুব্ধ’

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য নেছারুল হক চৌধুরী বুস্তান স্যার, সাধারণ সম্পাদক জননেতা মকসুদ হোসেন এক বিবৃতিতে গভীর রাতে সরকার ডিজেল প্রতি লিটার ১৩৫, পেট্রোল প্রতি লিটার ১৬০ ও অকটেন ১৬৫ টাকা বৃদ্ধিতে তীব্র নিন্দা ও গভীর উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে বলেন, দেশের মানুষ এমনিতে গ্যাস বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিং এ চরম ও আর্থিক মানসিকভাবে খুবই জর্জরিত। অপরদিকে চরম মূল্যস্ফীতি নিত্যপণ্যের উর্ধ্বগতিতে যখন জনজীবন চিড়ে চ্যাপ্টা, ঠিক তখনই এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ জনগণ হতবাক।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সত্ত্বেও বিগত পাঁচ মাস তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য যখন কমতে শুরু করেছে, ঠিক তখন সরকার কোন আলোচনা ছাড়াও জ¦ালানী তেলের মূল্য অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়েছেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে বাজার, যাতায়াত, পরিবহন সহ সর্বক্ষেত্রে ব্যয় বাড়বে। এর মারাত্মক প্রভাব ইতিমধ্যে পড়া শুরু হয়েছে। দেশের বড় বড় দুর্নীতিবাজ, ঋণ খেলাপিদের কাছ থেকে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা উদ্ধার না করে, দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। এই অস্বাভাবিক জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করে নির্বাচিত সরকার সাধারণ জনগণের উপর জুলুম শুরু করেছে। পাশাপাশি সরকার জনগণের সাথে ওয়াদারও বরখেলাপ করেছে। তাহলে জনগণ তাদেরকে ভোট দিয়ে কি মেজর ভুল করেছে?

নাগরিক দুর্ভোগ, পরিবহন খরচ, বাজার সহ জনজীবনে স্বস্থির ফিরিয়ে আনার স্বার্থে অনতিবিলম্বে এই অস্বাভাবিক জালালি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার চায় সাধারণ মানুষ। নতুবা সরকার কে এ জন্য চরম মূল্য দিতে হবে।

এই অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি প্রত্যাহারের লক্ষ্যে দেশপ্রেমিক দেশের সকল জনসাধারণকে তীব্র প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ। বিজ্ঞপ্তি

Share





Related News

Comments are Closed