Main Menu

তাহিরপুরে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে নৌপরিবহন ধর্মঘট, ব্যবসায় স্থবিরতা

Manual4 Ad Code

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: বিআইডব্লিউটির অতিরিক্ত চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জের তাহিরপুুর ও জামালগঞ্জ উপজেলার চারটি নদী পথে অনির্দিষ্ট কালের নৌপরিবহন ধর্মঘট চলছে।

Manual7 Ad Code

নৌযান মালিক, শ্রমিকগন, নৌ পরিবহন সমিতি একাত্মাপোষন করায় নদীতে নৌকা চলাচল বন্ধ রয়েছে। শুধু বিআইডব্লিউটিএ নয় টুলটেক্স, খাস কালেকশনের নামেরও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবীতে গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) থেকে তাহিরপুর উপজেলার পাটলাই নদী, যাদুকাটা নদী, রক্তি নদী এবং জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার সুরমা নদী পথে কয়লা, চুনাপাথর,বালু পরিবহণ হচ্ছে না দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এতে করে ব্যবসায় স্থবিরতা নেমে এসেছে আর নদীতে নেই চিরচেনা নৌযান চলায় শব্দ।

এর পূর্বে রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলা বাদাঘাট ইউনিয়নের যাদুকাটা নদীর কুড়ের পাড় এলাকায় মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করে নৌ পরিবহন ধর্মঘটের ঘোষণা দেয় শ্রমিক, ব্যবসায়ী, নৌ মালিক সমিতি, ষ্টোনকাসার মালিক সমিতি।

Manual3 Ad Code

শ্রমিক জামাল মিয়া জানান, নৌ পরিবহণ ধর্মঘটের কারনে নৌকা আসছে না, যার জন্য আমরাও বেকার হয়ে পড়েছি। পরিবার পরিজন নিয়ে চরম দুর্ভোগে আছি। কাজ না করলে সংসার চলাবো কি করে। নৌযান মালিক আবুল মিয়া জানান, আমি কয়লা, চুনাপাথর, কয়লা বালু পরিবহন করি। কিন্তু বিআইডব্লিউটিএসহ অন্যান্য ঘাটের নামে অতিরিক্ত চাঁদাবাজির কারনে যাদের মাল পরিবহন করবো তারা তো খরচ বেশি দিবে না। সে কারনে নৌকা চলাচল বন্ধ রয়েছে।

Manual2 Ad Code

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নদী পথে মাঝ নদী থেকে নৌকা আটকিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিআইডব্লিউটি, টুলটেক্স, খাস কালেকশনের নামে অতিরিক্ত চাঁদাবাজি চলছে। এই চাঁদাবাজি বন্ধে ও সমাধানের জন্য সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার লিখিত অভিযোগ, মানববন্ধন ও পরিবহন ধর্মঘট করে প্রতিবাদ জানানোর পরও কোনো সমাধান হয়নি।

ব্যবসায়ী নূর উদ্দিন বলেন, ওই সব নদীতে চলতি পথে ছোট নৌকা নিয়ে চাঁদাবাজি করলেও দায়িত্বশীলরা এর লাগাম টেনে না ধরতে পারছে না। বিআইডব্লিউটিএর নামে সুরমা নদীর লালপুর এলাকায় বালু পাথর লোড ও আনলোড ক্ষেত্রেই প্রতি ঘনফুটের বিপরীতে ২ টাকা ৮০ পয়সা করে টোল নিচ্ছে। খালি নৌকা নিয়ে আসা যাওয়া করলেও ২-৩ হাজার টাকা দিতে হয়। যা দেশের অন্য কোথাও এ ধরনের টোল আদায়ের নজির নেই।

ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কামাল মিয়া জানান, এসব ঘাটের কোন অস্তিত্ব নেই তারপরও টাকা দিতে হচ্ছে তাও অতিরিক্ত। আর বিআইডব্লিউটিএ বিগত বছর গুলোতে ৩৪ টাকার নিচে ছিলো চলতি বছর ৭০ টাকা নেয় পরে আন্দোলন শুরু করলে ৩৫ টাকা নিলেও আবারও ৫০ টাকা নিচ্ছে। যে করনে আমাদের খরচের পরিমান বেড়ে গেছে। বাধ্য হয়ে নৌ পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছি আর এই চাঁদাবাজির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে।

বিআইডব্লিউটি এর বিষয়ে প্রশাসনের কিছু করার নেই এটি আলাদা তবে খাসকালেকশন, টুলট্যাক্স এর বিষয় নির্ধারিত টাকা আদায় করতে এবং সাইনবোর্ড টানিয়ে রাখতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান মানিক।

 

Manual4 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code