Main Menu

কমলগঞ্জে ভূমি দস্যুদের হামলা, ভাঙ্গচুরের শিকার নিরীহ পরিবার

Manual3 Ad Code

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর বস্তি এলাকায় নিরীহ মহিলার বসতবাড়ি জবর দখলে হামলা, ভাঙ্গচুর ও নির্যাতনের অভিযোগ তোলেছেন।

Manual6 Ad Code

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কমলগঞ্জ ইউনিট কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একই এলাকার বশির মিয়া, আমজাদ মিয়াসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেন সৌদি ফেরত পলি বেগম।

লিখিত বক্তব্যে পলি বেগম বলেন, আমার স্বামী মছব্বির মিয়াসহ স্বামীর অপর ভাই মোস্তফা মিয়া, আবুল মিয়া, জহির আলী ও মুহিত আলীসহ ৫ ভাই ও তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে একত্রে বসবাস করছি। আমরা মৌরসী সুত্রে প্রাপ্ত ভূমিতে আধাকাঁচা, পাকা বসতবাড়ি তৈরী করে বসবাস ও চাষাবাদের মাধ্যমে ভোগ দখল করে আসছি। পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতার জন্য আমি প্রবাসে যাওয়ার পর আমার কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে আলীনগর বস্তীতে দারিদ্রতার মধ্যেও শান্তিপূর্ণ ভাবে জীবনযাপন করে আসছি। আমাদের প্রতিবেশি বশির মিয়া (৫০), আমজদ মিয়া (৪৫), আহমদ মিয়া (৪৫), আহাদ মিয়া (৩০), রাজু মিয়া (২৩), কাঞ্চন বিবি (৪০), পপি বেগম (২৬) সহ আরো অজ্ঞাত গংরা আমাদের বসতবাড়ী ও সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়ার জন্য হামলা, ভাঙচুর সহ নির্যাতন ও নিপীড়ন করতে থাকে। তাদের অত্যাচারে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনায় বসবাস করছি।

তিনি আরো বলেন, আমাদের বসতবাড়ী ও চাষাবাদের জমি জোরপূর্বক দখলের ষড়যন্ত্র শুরু করে। তারই আংশ হিসাবে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর বিকালে অবৈধভাবে বসতবাড়ীতে প্রবেশ করে বসতঘর ভাঙচুর, বাঁশঝাড় বিনষ্টসহ আমার ভাসুর মোস্তফা মিয়াকে আহত করে। এর একদিন পর ১৪ ডিসেম্বর আবারো ঐ সন্ত্রাসীরা বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ভাঙ্চুরসহ আমার ভাসুরের ন্ত্রী রায়না বেগমকে মারপিট সহ শ্লীলতাহানী করার চেষ্টা করে।

তাছাড়া আহম্মদ হোসেনের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ চক্রটি পুনরায় বাড়ীতে হামলা চালায় এবং আমার দেবর জহির আলীর স্ত্রী সীমা বেগমের পেটে লাথি মেরে ৪ মাসের গর্ভের সন্তান নষ্ট করে। এসব বিষয়ে কমলগঞ্জ থানা, পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শ্রীমঙ্গল সেনা ক্যাস্পসহ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট আমার ভাসুর মোস্তফা মিয়া বাদী হয়ে লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করলেও সুষ্টু কোন বিচার পাইনি।

Manual1 Ad Code

এই ঘটনার ধারাবাহিকতায় গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টায় উল্লেখিত সন্ত্রাসীচক্ররা অর্তকিতভাবে হামলা চালিয়ে পরিবারের সদস্যদের মারধর করে আমার (পলি বেগম) বসতবাড়ীর পাকা দেয়াল ভাঙ্গচুর করে ঘরের টিন খোলে নিয়ে যায়। এই সময় ঘরে রক্ষিত আমার স্বামীর ব্যবসায়িক লেনদেনের নগদ ৮৫ হাজার টাকা ও আমার কষ্টার্জিত টাকায় তৈরী ১ ভরি ওজনের কানের দুল, ২ লক্ষ টাকা মূল্যের ১টি গলার হার লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় আমার ভাসুর মোস্তফা মিয়া বাদি হয়ে কমলগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলে অদৃশ্য কারনে আসামীরা এখনো বীর দর্পে এলাকায় চলাফেরা করে আমাদের পরিবারের সদস্যদের প্রাণ নাশের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন। আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি ও মানসিকভাবে বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সৌদি ফেরত পলি বেগমের স্বামী মছব্বির মিয়া. ভাসুর মোস্তফা মিয়া, জহির মিয়ার স্ত্রী সীমা বেগম, মছব্বির মিয়ার দুই শিশু সন্তান।

Manual8 Ad Code

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আহম্মদ হোসেনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

কমলগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক আমির হোসেন বলেন, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তদন্তক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code