Main Menu

জৈন্তাপুরে নদী পাড় ও ফসলি জমি ধ্বংস করে বালু উত্তোলন, ৮ জনকে কারাদণ্ড

Manual5 Ad Code

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বড়গাং ও সারী নদীর পাড় ও কৃষতের ফসলি জমি ধ্বংস ও বসতভিটায় ঝুঁকিতে ফেলে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করেছেন।

Manual5 Ad Code

বুধবার (১১ই মার্চ) বেলা ৩টা হতে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত উপজেলার বড়গাং নদীর জঙ্গালঘাট, রুপচেং গরুরঘাট ও সারী-২ এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

Manual3 Ad Code

জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা নেতৃত্ব অভিযান পরিচালনা করা হয় । অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (এসিল্যান্ড) পলি রানী দেব সহ জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।

উপজেলার বড়গাং নদী সংলগ্ন নিজপাট ইউনিয়নের জাঙ্গালঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভাবে নদীর পাড় কেটে ও ফসলী জমি কর্তন করে বালু উত্তোলনের দায়ে ৪ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার লক্ষিপ্রসাদ গ্রামের শহীদ মিয়ার ছেলে ইসমাইল হোসেন (২০), রুপচেং এলাকার কন্টু মিয়ার ছেলে তাবাসসুম আহমেদ (১৭), পূর্ব লক্ষিপ্রসাদ গ্রামের রফিকুল হকের ছেলে খাইরুল ইসলাম (২৪) ও জাঙ্গাইল গ্রামের হারুণ মিয়ার ছেলে মামুনুর রশীদ (১৮)।

নিজপাট রুপচেং এলাকায় অভিযানে গেলে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে উপস্থিত বালু খেকু সদস্যরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থলে থাকা ১০টি ইঞ্জিল চালিত নৌকা করাত দিয়ে কেটে ধ্বংস করা হয়েছে।

সারী-২ এলাকায় নদীর পাড় কেটে ফসলি জমি ধ্বংস করে বালু উত্তোলনের অপরাধে আরো ৪জনকে আটক করে প্রশাসন।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার ভিতরগোল এলাকার সফাতউল্লাহর ছেলে জামাল উদ্দিন (২৫) একই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে আসাদ আহমেদ (২৮), গোয়াইনঘাট ধর্মগ্রামের অলিউর রহমানের ছেলে সেবুল আহমেদ (৩৫) ও একই গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে আবদুল করিম (৪৫)।

Manual4 Ad Code

এলাকার সচেতন মহল জানান, বড়গাং নদীর বৈধ ইজারাদার সানি সোহা এন্টারপ্রাইজের লোকজন অবৈধ ভাবে উত্তোলিত বালুর নৌকাতে তারা অতিরিক্ত মুনাফা লাভের জন্য সরকারি ইজারার টোকেন দিয়ে বৈধতা দিয়ে আসছে। বিষয়টি তদন্ত স্বাপেক্ষে ইজারাদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান। কারণ ইজারাদার রশিদ না দিয়ে এই বালু কোন ভাবে উত্তোলনের সুযোগ পেত না। ইজারাদার অতিরিক্ত মুনাফার জন্য তারা অবৈধ বালুকে বৈধতা দিচ্ছে।

জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নির্ধারিত স্থান হতে বালু উত্তোলন না করে ফসলি জমি ধ্বংস করে এবং নদীর তীরবর্তী বসতভিটা ঝুঁকিতে ফেলে বালু উত্তোলন করার দায়ে বাংলাদেশ বালু মহাল ও মাটি ব্যাবস্থাপনা আইনে দুইটি স্থান হতে ৭জনকে সর্বনিম্ন তিনদিন থেকে সর্বোচ্চ তিন মাস মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। অপরদিকে আটককৃত মধ্যে ১জনের বয়স ১৭ বছর হওয়ায় এজাহারের মাধ্যমে উপযুক্ত আদালতে সোপর্দ করার নির্দেশ দিয়ে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে। আদালত তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিবেন।

পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এই ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। আটককৃতদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code