Main Menu

মধ্যপ্রাচ্যে সর্ববৃহৎ মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ হামলা

Manual8 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পারমাণবিক আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার জেরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত এখন চরম আকার ধারণ করেছে।

Manual2 Ad Code

বুধবার (৪ মার্চ) কাতারে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সর্ববৃহৎ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আল-উদেইদে দুটি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জরুরি বিবৃতিতে এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

Manual6 Ad Code

গত ২৮ ফেব্রুয়ারী শনিবার ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর এটিই মার্কিন কোনো বড় ঘাঁটিতে তেহরানের সরাসরি এবং সবচেয়ে শক্তিশালী আঘাত।

কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে একটিকে কাতারের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মাঝ আকাশেই সফলভাবে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। তবে অপর ক্ষেপণাস্ত্রটি লক্ষ্যভ্রষ্ট না হয়ে সরাসরি আল-উদেইদ মার্কিন বিমানঘাঁটির ভেতরে আঘাত হেনেছে।

উল্লেখ্য, এই ঘাঁটিটি এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক শক্তির প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। এই ভয়াবহ হামলার পর ঘাঁটির ভেতরে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য জানায়নি কাতার কর্তৃপক্ষ।

Manual4 Ad Code

এর আগে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান আলোচনা নাটকীয়ভাবে ভেস্তে যাওয়ার পর দেশটির ওপর একযোগে সিরিজ বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সেই ভয়াবহ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই পুরো মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা বেজে ওঠে।

Manual2 Ad Code

ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘোষণা দিয়েছিল, তারা মার্কিন এই ‘বর্বরতা’র উপযুক্ত জবাব দেবে। আল-উদেইদ ঘাঁটিতে আজকের এই হামলাকে সেই প্রতিশাধেরই একটি অংশ হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

তেহরান থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, ইরান কেবল কাতারেই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য স্থানে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতেও হামলার ছক এঁকেছে।

কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিটি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়, বরং এই অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকেই সিরিয়া, ইরাক এবং আফগানিস্তানে মার্কিন বিমান অভিযানগুলো পরিচালিত হয়ে থাকে। এই ঘাঁটিতে স্থায়ীভাবে প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code