Main Menu

এবার মারা গেলেন খামেনির স্ত্রীও

Manual5 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর এবার মারা গেলেন আর স্ত্রী মানসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহও।

Manual4 Ad Code

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় স্বামীর সঙ্গে তিনিও আহত হয়েছিলেন। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম খামেনির স্ত্রীর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সোমবার (২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে তাসনিম জানায়, শনিবারের হামলায় খামেনির মৃত্যুর পর থেকে ৭৯ বছর বয়সী বাঘেরজাদেহ কোমায় ছিলেন।

বাঘেরজাদেহ ১৯৪৭ সালে একটি সম্মানিত বণিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মোহাম্মদ ইসমাইল খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

১৯৬৪ সালে খামেনির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। কয়েক দশক ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই তিনি তার স্বামীকে নীরবে আড়াল থেকে সমর্থন জুগিয়ে আসছিলেন বলে জানা যায়। তবে, অনেক রাজনীতিকের স্ত্রীর মতো তিনি জনসাধারণের দায়িত্ব বা আনুষ্ঠানিক ভূমিকা গ্রহণ করেননি। পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যের মতোই তার জীবনও ক্যামেরা ও বক্তৃতার বাইরে বিকশিত হয়েছিল।

Manual2 Ad Code

প্রসঙ্গত, পারমাণবিক কর্মসূচি বিষয়ক আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের ওপর একযোগে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলায় মারা যান ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। হামলায় পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় খামেনির প্রাসাদ। ওইদিন খামেনি ছাড়াও সেই প্রাসাদে প্রাণ হারান তার মেয়ে, নাতি, পুত্রবধূ এবং জামাই।

Manual3 Ad Code

এদিকে খামেনির মৃত্যু হলেও ইরানে নিজের মিশন শেষ হয়নি বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে সম্পূর্ণ লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের এ যৌথ হামলা চলতে থাকবে বলেও বার্তা দিয়েছেন তিনি।

Manual1 Ad Code

সে ধারাবাহিকতায় এখনও ইরানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল, আর এসব হামলায় কমপক্ষে ৫৫৫ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। সেইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৩১টি ইরানি কাউন্টি।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code