Main Menu

ভূমিকম্পে কাঁপলো সিলেট

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে কোথাও কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টা ৫৩ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়।

ইএমএসসি ওয়েবসাইট অনুযায়ী রিখটার স্কেলে এর মাত্র ছিল ৫ দশমিক ১। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাংগাই অঞ্চলের মনিওয়া শহর। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১০১ কিলোমিটার।

Manual3 Ad Code

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এ কম্পন অনুভূত হয়েছে। ঢাকার বনশ্রী, সবুজবাগ, মগবাজার, মালিবাগ এলাকার একাধিক বাসিন্দারা এই কম্পন অনুভবের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কম্পন অনুভূত হওয়ায় রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় মানুষ ঘরবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন।

এছাড়া সিলেটেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বলে খবর। এই কম্পনে নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে কক্সবাজারসহ চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায়ও ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানিয়েছেন সেখানের বাসিন্দারা। ভূমিকম্পনে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

এরআগে গত ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার মৃদু কম্পন দিয়ে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি একই দিনে তিনবার ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর মধ্যে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪.১ মাত্রার কম্পন ছিল। এরপর ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেটে আরও দুবার এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সব মিলিয়ে ২৬ দিনে আটবার কেঁপেছে দেশ।

Manual7 Ad Code

এর আগে গত নভেম্বরে ৫.৭ মাত্রার এক ভূমিকম্পে দেশে ১০ জন নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হয়েছিলেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভূমিকম্প মোকাবিলায় দেশের প্রস্তুতি এখনও অনেক ক্ষেত্রে উদ্ধার তৎপরতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অবকাঠামোগত ঝুঁকি কমাতে বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে অনুসরণ করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।

ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ছোট ও মাঝারি মাত্রার এই ঘন ঘন কম্পন বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। ভূত্বকের নিচে দীর্ঘদিন ধরে শক্তি জমা হয়ে থাকলে তা বড় বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি করে। বাংলাদেশ ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিকভাবেই অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে রয়েছে। ছোট কম্পনগুলো আসলে নির্দেশ করছে যে ভূ-অভ্যন্তরে বড় ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে।

Manual7 Ad Code

তিনি বলেন, সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো, নিয়মিত মহড়া এবং ভূমিকম্প-সহনশীল স্থাপনা নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই।

Manual4 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code