Main Menu

গাজায় ২৩৩ ইমামকে হত্যা করেছে দখলদার সেনারা

Manual6 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: হামাস উৎখাত ও জিম্মি মুক্তির নামে দীর্ঘ ২২ মাসেরও বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন চলছে। হামলা-বোমাবর্ষণ-হত্যাযজ্ঞ থামছে না কোনোভাবেই। অবরুদ্ধ ভূখণ্ডটিতে প্রতিদিনই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে লাশের মিছিল।

সম্প্রতি গাজা দখলের পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আনার পর যেন আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ধ্বংসযজ্ঞের তীব্রতা যেন আরও বাড়িয়েছে তার সেনারা। রেহাই পাচ্ছে না নারী-শিশু কেউই। টার্গেট করে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে মসজিদ; হত্যা করা হচ্ছে মসজিদের ইমাম ও ইসলাম ধর্মের প্রচারকদের। দখলদার সেনাদের লাগাতার হামলায় মসজিদ ও উপাসনালয়হীন হয়ে পড়েছে গাজার অনেক পাড়া-মহল্লা।

Manual6 Ad Code

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে গাজায় চলমান আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ২৩৩ জন ইমাম ও ইসলাম ধর্মের প্রচারককে হত্যা করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী; ধ্বংস করে দিয়েছে ৮২৮ মসজিদ। সেইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ১৬৭টি মসজিদ। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইহুদিবাদীদের হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে গাজার তিনটি চার্চও, সেইসঙ্গে হত্যা করা হয়েছে ২১ জন ফিলিস্তিনি খ্রিস্টানকে।

গাজার মিডিয়া অফিসের প্রধান ইসমাইল আল থাওয়াবতেহ আনাদোলু এজেন্সিকে বলেন, মসজিদ, গির্জা, মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হচ্ছে। ধর্মীয় কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ ও প্রতিরোধের মূল ভিত্তিগুলো ধ্বংস করার চেষ্টা করা হচ্ছে এর মাধ্যমে।

Manual3 Ad Code

তিনি বলেন, জাতীয় পরিচয় শক্তিশালী করতে, ঈমান জাগ্রত রাখতে এবং সামাজিক সংহতি রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ইমাম ও আলেমরা। তাদের হত্যা ও নির্মূল করার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের মনোবল দুর্বল করে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং ইসরায়েলের অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার আওয়াজ নিস্তব্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

Manual5 Ad Code

ইসমাইল আল থাওয়াবতেহর মতে, শতাব্দী প্রাচীন ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংসের মাধ্যমে গাজার সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের শেকড়ের সম্পর্কও মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে। ইতিহাস, সংস্কৃতি, সামাজিক পরিচয় এবং সমষ্টিগত স্মৃতি মুছে ফেলার এই প্রচেষ্টা ফিলিস্তিনের অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি।

Manual5 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code