Main Menu

বাগান ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে চা শ্রমিকদের বিক্ষোভ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল টি কোম্পানির মালিকানাধীন ১৩টি বাগানের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া বাগানে চা শ্রমিকরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে। শ্রমিকরা ষড়যন্ত্রকারীদের শাস্তি দাবি করেছে।

বুধবার (২৩ জুলাই) সকালে শ্রমিকরা তেলিয়াপাড়া চা বাগান ফ্যাক্টরির কাছে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে এ দাবি জানায়। পরে তারা কাজে যোগদান করেন।

এতে বক্তব্য দেন, বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি খোকন পান তাতী, মহিলা সর্দার বিরেন্দ্র বোনার্জি, মহিলা নেত্রী প্রেম পান তাতীসহ প্রমুখ।

শ্রমিকরা জানান, এইচএসএম জিয়াউল আহসান ন্যাশনাল টি কোম্পানির (এনটিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দায়িত্বশীল ভূমিকায় জেলার চুনারুঘাট উপজেলার চন্ডিছড়া, পারকুল, মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া, জগদীশপুরসহ দেশের ১৩টি চা-বাগানে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে। বাগানে তৈরি হয়েছে দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ। চুরি প্রতিরোধ হয়েছে। চায়ের গুণগত মানের উন্নতি হচ্ছে। এসবসহ বিভিন্ন কারণে এনটিসির বাগানগুলো সময়ের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। বাগানে শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে শ্রমিক পর্যায় পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা ও কাজের গতি বেড়েছে। এই অগ্রগতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে অতীতে দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত একটি মহল আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে হুমায়ুন কবির নামের একজনকে দিয়ে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কর্মকর্তারা ও শ্রমিকদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অপপ্রচারের ফলে বাগানের স্বাভাবিক পরিবেশ হুমকির মুখে এগোচ্ছে।

শ্রমিকরা জানান, চা বাগানে শৃঙ্খলা ফেরাতে যারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। তাই শ্রমিকরা হুমায়ুন কবিরসহ ষড়যন্ত্রকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

পঞ্চায়েত সভাপতি খোকন পান তাতী বলেন, আমরা শ্রমিকরা চা বাগানকে ভালোবেসে পরিশ্রম করে যাচ্ছি। এখানে হুমায়ুন কবির আমাদের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছে। সে হুমকি দিয়ে বলেছে, আমার কথা না শুনলে ইউটিউবে তোমাদের মাদক কারবারি হিসেবে প্রচার করব। এমন হুমকির ঘটনায় শ্রমিকদের মাঝে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। হুমায়ুনসহ ষড়যন্ত্রকারীদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় না আনা হলে কঠোর আন্দোলনে যাবে শ্রমিকরা। প্রয়োজনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে কর্মসূচি পালন করা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed