হযরত মুহাম্মদ (স.) কে নিয়ে কটুক্তি, মৌলভীবাজারে যুবক গ্রেপ্তার
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় মৌলভীবাজারে বিকাশ ধর দীপ্ত (২৩) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
থানা সুত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত বিকাশ ধর গত ১১ মে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত একটি ছবিতে মুসলমানদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)কে ধর্ষক বলে মন্তব্য করেন।
এছাড়া ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি স্ক্রিনশটে তাকে মুসলমানদের জঙ্গি বলে কটুক্তি করতে দেখা যায়।
বিকাশ ধর সিলেট শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র এবং মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মারকোনা গ্রামের সুধীর ধরের ছেলে।
ফেসবুকে বিকাশ ধরের মন্তব্যের স্ক্রিনশট মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হলে মৌলভীবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মুসলমানদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা যায়।
পরবর্তীতে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের পর সে তার মন্তব্য ডিলিট করে এবং ফেসবুকে নিজের আইডি থেকে ক্ষমা চেয়ে ভিডিও পোস্ট করে।
এ ঘটনায় মৌলভীবাজার সদর উপজেলার জনৈক আব্দুল কাদির রতন বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাইবার নিরাপত্তা আইনে থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়।
মৌলভীবাজার সদর থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী মোঃ মাহবুবুর রহমান জানান, গ্রেফতারকৃত বিকাশ ধর তার দোষ স্বীকার করে ইতিমধ্যে পোস্ট করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সে তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মৌলভীবাজার সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে হাজির হয়।
ওসি আরও জানান, পুলিশ বিকাশ ধরকে থানা হেফাজতে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থানা এলাকার তার মামার বাড়ি থেকে তার ব্যবহৃত দুইটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। শুক্রবার (১৬ মে) তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।
Related News
কমলগঞ্জের জনপ্রিয় বংশি বাদক মদিনার মৃত্যু, শোকের ছায়া
Manual3 Ad Code কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পরিচিত মুখ, জনপ্রিয় বংশি বাদক মদিনাRead More
কমলগঞ্জের দেওড়াছড়া চা বাগানে ৩ সপ্তাহ ধরে মজুরী বন্ধ, অফিসে তালা
Manual7 Ad Code কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের বাংলাদেশ টি বোর্ডের নিয়ন্ত্রাধীনRead More



Comments are Closed