Main Menu

মে দিবসে হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের লাল পতাকা র‌্যালি ও সমাবেশ

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ১৪০-তম আন্তর্জাতিক মহান মে দিবসে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

Manual3 Ad Code

১মে সকাল ৯টায় কোর্ট পয়েন্টে শ্রমিক সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক আনছার আলীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সরকার, শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি মো. খোকন আহমদ, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমিটির সভাপতি মো. মনির হোসেন, সহ-সভাপতি শাহীন আহমদ, জেলা কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইমান আলী, শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি জয়নাল মিয়া, আম্বরখানা আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রাশেদ আহমদ ভূইয়া, বন্দরবাজার আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি সাহাব উদ্দিন, চন্ডিপুল আঞ্চলিক কমিটির কমিটির সাধারণ সম্পাদব সুনু মিয়া সাগর, বাবনা আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুমিন মিয়া, জালালাবাদ থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মখলিছুর রহমান, জিন্দাবাজার আঞ্চলিক কমিটির সহ-সাধারণ মো. সাইমনসহ প্রমুখ।

সকাল ৯টা হতে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন আঞ্চলিক কমিটি বন্দর বাজার, দক্ষিণ সুরমা, আম্বরখানা, জালালাবাদ, শাহপরান, জিন্দাবাজার, চন্ডিপুলের নেতৃবৃন্দ মিছিল সহযোগে সমাবেশস্থলে জড়ো হন।

Manual6 Ad Code

সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ লাল পতাকা র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির ২নং বার লাইব্রেরী হলে অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

Manual1 Ad Code

নেতৃবৃন্দ বলেন বিশ্ব শ্রমিকশ্রেণির আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাসে ১ মে শ্রমিক শ্রেণির জন্য এক ঐতিহাসিক ও গৌরবজনক অধ্যায়। মহান মে দিবস আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস সারাবিশ্বের শ্রমিক শ্রেণির ঐক্য ও সংহতি প্রকাশের দিন। হোটেল রেস্টুরেন্টের শ্রমিকরা সারা বছর মালিকের প্রতিষ্ঠানে কাজ করে মুনাফা তৈরি করলেও মে দিবস আসলে শ্রমিকদের আইনগত অধিকার প্রদান করতে মালিকরা নানা টালবাহানা করে থাকেন। শ্রমিকরা হোটেলে দৈনিক ১০/১২ ঘন্টা অমানবিক পরিশ্রম করে অর্ধাহার-অনাহারে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়, যার কারণে হোটেল শ্রমিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। শ্রম আইনে ৮ঘন্টা কাজ ও অতিরিক্ত কাজের দ্বিগুন মজুরি প্রদানের বিধান থাকলেও বাস্তবিকভাবে হোটেল সেক্টরে তা কার্যকর নেই। বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ৫-ধারায় নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র, ৬-ধারায় সার্ভিস বই, ২৬-ধারায় চাকুরীচ্যূতি জনিত ৪ মাসের নোটিশ পে, ১০৩-ধারায় সপ্তাহে দেড়দিন সাপ্তাহিক ছুটি, ১০৮-ধারায় দৈনিক ৮ ঘন্টা সপ্তাহে ৪৮ ঘন্টা কাজ এবং অতিরিক্ত কাজের জন্য দ্বিগুণ মজুরি প্রদান, ১১৫-ধারায় বছরে ১০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি, ১১৬-ধারায় ১৪ দিন অসুস্থতাজনিত ছুটি, ১১৭-ধারায় প্রতি ১৮ দিন কাজের জন্য ১ দিন অর্জিত ছুটি, ১১৮-ধারায় ১১ দিন উৎসব ছুটি প্রদানের আইন থাকলেও হোটেল শ্রমিকদেরকে এই সকল আইনগত অধিকার হতে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

Manual8 Ad Code

বাজারদরের সাথে সংগতি রেখে মজুরি নির্ধারণ না হওয়ার কারণে শ্রমিকরা পরিবার পরিজন নিয়ে দুঃখ কষ্টে জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে, শ্রমিক প্রতিনিধির উপস্থিতিতে মজুরি বোর্ড গঠন করে বাজারদরের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়ে বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলন সংগ্রাম ব্যতিত কোনো অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না তাই মহান মে দিবসের বিপ্লবী চেতনাকে ধারণ করে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলার আহবান জানান।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code