Main Menu

সমুদ্র দেখতে গিয়ে সৈকত পরিষ্কার করলো সিকৃবির শিক্ষার্থীরা

সিকৃবি সংবাদদাতা: সেন্টমার্টিনে শিক্ষাসফরে গিয়ে সমুদ্র উপকূলের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করেছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) একদল শিক্ষার্থী।

গত ১২ অক্টোবর ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের লেভেল ৪ সেমিস্টার ২ এর শিক্ষার্থীদের একটি দল নিয়ে সিকৃবির ৩জন শিক্ষক শিক্ষাসফরে উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাস ছাড়েন। বঙ্গোপসাগরের নয়নাভিরাম চিত্র দেখতে সেন্টমার্টিন পৌঁছে এবং ১৬ অক্টোবর তারা সমুদ্র সৈকতে অনেক ময়লা আবর্জনা দেখতে পান। বিকেলেই শিক্ষকদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা উপকূল পরিষ্কার করতে নেমে যায়।

সিকৃবির জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের উপ পরিচালক খলিলুর রহমান ফয়সাল জানান, মূলত ইউএসএআইডি’র অর্থায়নে, ওয়ার্ল্ডফিশ বাংলাদেশের, ইকোফিস ২ প্রকল্পের সেন্টমার্টিন ব্লুগার্ড টিমের সাথে, শিক্ষাসফররত মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীরা এই পরিষ্কার অভিযান চালিয়েছে। সেন্টমারটিন ব্লুগার্ড টিমের ১০ জন সদস্যসহ বেশ কয়েকজন জেলে এই পরিচ্ছনতা কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।

শিক্ষাসফরে থাকা কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিসারিজ বিভাগের সহযোগী প্রফেসর ড. পার্থ প্রতীম বর্মন জনিয়েছেন, সেন্টমার্টিন সমুদ্র সৈকতের প্রায় ৩০০০০ বর্গমিটার জায়গা থেকে মোট ৭০ কেজি বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ কেজি প্লাস্টিক বোতল, ২০ কেজি পলিথিন, ১৫ কেজি ছেড়া জাল ও দড়ি এবং ২৩ কেজি অন্যান্য বর্জ্য অপসারণ করা হয়।

উল্লেখ্য এই শিক্ষাসফরটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন সিকৃবি ফিশ হেলথ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রফেসর ড. এম.এম. মাহবুব আলম, কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিসারিজ বিভাগের সহযোগী প্রফেসর ড. পার্থ প্রতীম বর্মন এবং একোয়াকালচার বিভাগের সহকারী প্রফেসর মো: আবু কাওসার।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সহায়তা করেছেন ইকোফিস-২ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো: সোহেল রানা।

এদিকে সমুদ্র সৈকত পরিষ্কার অভিযানের কারনে সেন্টমার্টিন এলাকার মানুষের মধ্যে বেশ উচ্ছাস লক্ষ্য করা যায়। তারা সিকৃবির শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং সেন্টমার্টিনে ঘুরতে আসা পর্যটকদের আবর্জনা ফেলার বিষয়ে সচেতন থাকার অনুরোধ করেছেন।

Share





Related News

Comments are Closed